Beanibazarer Alo

  সিলেট     মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ২৭শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিরিয়ার এসডিএফের ড্রোন হামলায় ৭ সেনা নিহত, আহত ২০

admin

প্রকাশ: ২২ জানুয়ারি ২০২৬ | ১২:১২ অপরাহ্ণ | আপডেট: ২২ জানুয়ারি ২০২৬ | ১২:১২ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
সিরিয়ার এসডিএফের ড্রোন হামলায় ৭ সেনা নিহত, আহত ২০

Manual7 Ad Code

ডিজিটাল ডেস্ক :
সিরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় হাসাকা প্রদেশে এসডিএফের একটি ড্রোন হামলায় দেশটির সেনাবাহিনীর ৭ জন সদস্য নিহত এবং অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।

Manual4 Ad Code

বুধবার (২১ জানুয়ারি) সিরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছে, প্রদেশের আল-ইয়ারুবিয়াহ সীমান্ত ক্রসিংয়ের কাছে একটি গোলাবারুদের ডিপো লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়।

এই মর্মান্তিক ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটল যখন মাত্র একদিন আগেই সিরিয়ার প্রেসিডেন্সি হাসাকা প্রদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে এসডিএফের সাথে একটি ‘পারস্পরিক সমঝোতায়’ পৌঁছানোর ঘোষণা দিয়েছিল। সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সানা প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এই হামলার বিস্তারিত প্রকাশ করেছে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মিডিয়া ও কমিউনিকেশন বিভাগ জানিয়েছে, হামলার আগে সিরীয় সেনাবাহিনীর ইউনিটগুলো আল-ইয়ারুবিয়াহ সীমান্তের কাছে একটি গোপন কর্মশালা খুঁজে পায়। সেখানে ড্রোন তৈরির সরঞ্জাম এবং ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) তৈরির কারখানা ছিল।

Manual3 Ad Code

মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, উক্ত কারখানায় বেশ কিছু ইরানি তৈরি ড্রোন পাওয়া গেছে যা এসডিএফ ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত করছিল। সেনাবাহিনী যখন ওই এলাকাটি নিরাপদ করতে তল্লাশি অভিযান শুরু করে, ঠিক তখনই এসডিএফ একটি আত্মঘাতী ড্রোন পাঠিয়ে সেখানে আক্রমণ চালায়। এই হামলায় ঘটনাস্থলেই সাতজন সেনাসদস্য প্রাণ হারান এবং আহতদের দ্রুত চিকিৎসার জন্য স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

Manual7 Ad Code

সিরীয় সেনাবাহিনীর অপারেশন কমান্ড এই ঘটনাকে ‘বিপজ্জনক উসকানি’ এবং যুদ্ধবিরতির ‘স্পষ্ট লঙ্ঘন’ হিসেবে অভিহিত করেছে। উল্লেখ্য যে, মঙ্গলবার স্থানীয় সময় রাত ৮টা থেকে এসডিএফের সঙ্গে সিরীয় সেনাবাহিনীর চার দিনের একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা ছিল।

কিন্তু সেনাবাহিনী অভিযোগ করেছে, এসডিএফ ক্রমাগত এই যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে সিরীয় নাগরিক এবং সেনাবাহিনীর ওপর ড্রোন ও কামানের হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। এই হামলাটি সিরিয়ার বর্তমান ভঙ্গুর শান্তি প্রক্রিয়াকে নতুন করে সংকটের মুখে ঠেলে দিয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

হাসাকা প্রদেশের এই রক্তক্ষয়ী সংঘাত এমন এক সময়ে ঘটল যখন আলেপ্পো এবং হাসাকাজুড়ে এসডিএফের পক্ষ থেকে বারবার আক্রমণের খবর পাওয়া যাচ্ছিল। এর আগে সিরীয় প্রেসিডেন্সি আশাবাদ ব্যক্ত করেছিল, নতুন সমঝোতার মাধ্যমে এই অঞ্চলের উত্তেজনা প্রশমিত হবে।

তবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক এই বিবৃতি এবং সেনাবাহিনীর কঠোর অবস্থান ইঙ্গিত দিচ্ছে, এসডিএফের এই ড্রোন হামলার পর যুদ্ধবিরতি টিকিয়ে রাখা এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং আক্রমণকারীদের বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা নিতে সিরীয় সেনাবাহিনী বর্তমানে হাসাকা সীমান্তে তাদের অবস্থান আরও জোরদার করেছে।

Manual6 Ad Code

শেয়ার করুন