Beanibazarer Alo

  সিলেট     বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ২৯শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শহীদ মিনারে সাংবাদিকের প্রশ্নে জামায়াত আমির বললেন—‘এ প্রশ্ন আজকে কেন’

admin

প্রকাশ: ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ০১:০৫ অপরাহ্ণ | আপডেট: ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ০১:০৫ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
শহীদ মিনারে সাংবাদিকের প্রশ্নে জামায়াত আমির বললেন—‘এ প্রশ্ন আজকে কেন’

Manual5 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার:

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের বেদিতে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। এটিই প্রথমবারের মতো কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জামায়াত আমিরের পুষ্পস্তবক অর্পণ।শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর তিনি শহীদ মিনারে যান। এ সময় তার সঙ্গে এনসিপির নাহিদ ইসলাম, আখতার হোসেন, হাসনাত আবদুল্লাহসহ ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে ডা. শফিকুর রহমান সেখানে মোনাজাত পরিচালনা করেন। পরে শহীদ মিনার এলাকায় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন জামায়াত আমির। জামায়াত কখনো ফুল দিতে শহীদ মিনারে আসেনি, এবার কী মনে করে আসলেন—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় আচার হিসেবে এটা আমার দায়িত্ব। বিরোধী দলীয় নেতা হিসেবে সঙ্গীদের নিয়ে আমাকে আসতে হবে তাই আমি এসেছি।

Manual8 Ad Code

এখনও কি জামায়াতে ইসলামী এটাকে নাজায়েজ মনে করেন—এমন প্রশ্ন বিরক্তি প্রকাশ করে তিনি বলেন, এমন একটা পবিত্র দিনে এ ধরনের প্রশ্ন আপনি কেন করছেন, এমন প্রশ্ন না করাই ভালো।

Manual5 Ad Code

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে ডা. শফিকুর রহমান সরাসরি আজিমপুর কবরস্থানে যান। সেখানে তিনি ভাষা শহীদদের কবর জিয়ারত করেন এবং শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করেন। আজিমপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ১৯৪৭ সাল থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত যারা মানুষের অধিকারের জন্য লড়াই করে প্রাণ দিয়েছেন, তাদের শাহাদাত কবুলের জন্য মোনাজাত করা হয়েছে।

Manual2 Ad Code

নাগরিক অধিকার প্রসঙ্গে জামায়াত আমির উল্লেখ করেন যে, ভাষার অধিকার অর্জিত হলেও দেশের মানুষ এখনো প্রকৃত নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত। তিনি বলেন, ‘প্রতিষ্ঠিতি কায়েমি স্বার্থবাদী সরকারগুলো জনগণের অধিকার গায়ের জোরে চাপায় দিতে চেয়েছিল বলেই বিদ্রোহ হয়েছিল। সেই বিদ্রোহের ফলে আমরা ভাষার অধিকার পেয়েছি। তবে মানবিক সমাজ কায়েম না হওয়া পর্যন্ত আমাদের লড়াই অব্যাহত থাকবে।’

Manual4 Ad Code

শেয়ার করুন