Beanibazarer Alo

  সিলেট     সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ১৩ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বৃষ্টিতে প্রাণ ফিরেছে চা বাগানে

admin

প্রকাশ: ১৩ মার্চ ২০২৬ | ১১:৪৪ অপরাহ্ণ | আপডেট: ১৩ মার্চ ২০২৬ | ১১:৪৪ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
বৃষ্টিতে প্রাণ ফিরেছে চা বাগানে

Manual5 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার:

Manual8 Ad Code

চায়ের দেশে বৃষ্টিতে প্রাণ ফিরেছে মৌলভীবাজার জেলার চা বাগান এলাকায়।

Manual7 Ad Code

শুক্রবার (১৩ মার্চ ) দুপুর ১২টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত মৌলভীবাজার জেলায় ৩৬.৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বৃষ্টির কারণে আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই চা গাছে নতুন কুঁড়ি গজাবে যাবে বলে জানিয়েছেন চা উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত সংশ্লিষ্টরা।

চা গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা জানান, প্রতি বছর চা গাছগুলোর মাথা নির্দিষ্ট মাপ অনুসারে ছেঁটে ফেলা হয়। তারপর চলে অপেক্ষার পালা। বৃষ্টির ফলে রোপণ করা নতুন চারাগুলো রক্ষা পাবে। এসব গাছে তিন-চারদিনের মধ্যে কুঁড়ি দেখা দেবে।

এদিকে  দীর্ঘদিন ধরে বৃষ্টি না হওয়ায় মৌলভীবাজারের চা বাগানগুলোতে মরে যাচ্ছে গাছ। এরইমধ্যে খরার কারণে জেলার ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ বাগানের চারা গাছ নষ্ট হয়ে গেছে। কাঙ্ক্ষিত নতুন কুঁড়ি বা চা পাতার অভাবে অধিকাংশ কারখানা চালু করা যায়নি। এতে গেল বছরের মতো এ বছরও চায়ের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা পূরণ নিয়ে সংশয় ছিল। অবশেষে বৃষ্টিতে প্রাণ ফিরেছে বাগানগুলোতে।শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. আনিসুর রহমান বলেন, চলতি মাসে ৩৬.৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। গত বছরের মার্চে এসে মাত্র ৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এর আগের  বছরের মার্চ মাসে ৪৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। গত কয়েক মাসে এ অঞ্চলে কোনো বৃষ্টিপাত নেই। এতে জেলার সবকটি চা বাগান খরার কবলে পড়েছে।

Manual4 Ad Code

এদিকে একাধিক চা বাগান ব্যবস্থাপক জানান, ‘নিয়ম অনুযায়ী চায়ের অধিক উৎপাদনের লক্ষ্যে শীত মৌসুমে চা গাছ নানা পদ্ধতি অনুসরণ করে প্রুনিং করা হয়ে থাকে (চা গাছ ছাঁটাই)। এ বছরও মৌলভীবাজারের বাগানের চা গাছ নিয়ম মতোই প্রুনিং হরা হয়। পরবর্তীকালে সার এবং ওষুধ প্রয়োগ করা হয়। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে অথবা মার্চ এসে বৃষ্টিপাত হলেই গাছে গাছে সবুজ পাতায় ভরে উঠে।’

 

ফিনলে টি কোম্পানির ভাড়াউড়া ডিভিশনের মহাব্যবস্থাপক গোলাম মোহাম্মদ শিবলি বলেন, ‘যতটুকু বৃষ্টিপাত হয়েছে তাতে আমরা স্বস্তিবোধ করছি। কিছুদিন আগে এই চা গাছের মাথা ছাঁটাই করা হয়েছিল। রুক্ষভাব দেখা গিয়েছিল চা বাগানে।  বৃষ্টির কারণে আবারও জেগে উঠেছে  চা গাছগুলো।’

Manual2 Ad Code

শেয়ার করুন