Beanibazarer Alo

  সিলেট     বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ২৮শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৩২ লাখ টাকার রহস্যজনক লেনদেন, ভাটারা থানার ওসিকে বদলি

admin

প্রকাশ: ১৮ মার্চ ২০২৬ | ০৭:৩৫ অপরাহ্ণ | আপডেট: ১৮ মার্চ ২০২৬ | ০৭:৩৫ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
৩২ লাখ টাকার রহস্যজনক লেনদেন, ভাটারা থানার ওসিকে বদলি

Manual6 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার:

Manual1 Ad Code

রাজধানীর ভাটারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইমামুল হককে বদলি করা হয়েছে। বুধবার (১৮ মার্চ) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ সদর দপ্তরের প্রশাসন বিভাগের এক আদেশে তাকে ডেভেলপমেন্ট বিভাগে পদায়ন করা হয়। সংশ্লিষ্ট আদেশে স্বাক্ষর করেন প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সদর দপ্তর ও প্রশাসন) মোহাম্মদ আমীর খসরু।আদেশ অনুযায়ী, জনস্বার্থে এ বদলি অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তিনি নতুন দায়িত্বে থাকবেন।

Manual6 Ad Code

এর আগে ওসি ইমামুল হকের ব্যক্তিগত মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টে অস্বাভাবিক অর্থ লেনদেনের অভিযোগ ওঠে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে দাবি করেন, ২০২৫ সালের ২০ ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়ে তার বিকাশ ও নগদ অ্যাকাউন্টে মোট ৩২ লাখ ৩৩ হাজার টাকা লেনদেন হয়েছে।

Manual4 Ad Code

ওই পোস্টে আরও বলা হয়, বিভিন্ন ব্যক্তি ও উৎস থেকে এই অর্থ তার অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়েছে, যার একটি বড় অংশ অনলাইন জুয়ায় ব্যয় করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া তার ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাবেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে বলে দাবি করা হয়।

Manual5 Ad Code

হাতে আসা তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ভাটারা থানার পেছনে অবস্থিত একটি বিকাশ/নগদের দোকান থেকে (রহিমের দোকান) গত দুই মাসে ওসির মোবাইল নম্বরে এসেছে ৪ লাখ ৫৫ হাজার টাকা। কনস্টেবল আমজাদের মোবাইল নম্বর থেকে এসেছে ২ লাখ ৫৯ হাজার ৫০০ টাকা।কনস্টেবল সাদ্দামের মোবাইল নম্বর থেকে এসেছে ৬ লাখ ৯১ হাজার ৬২৯ টাকা। এছাড়া গত দুইমাসে নাসিম (বাড়িওয়ালা) এর নম্বর থেকে এসেছে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৮০ টাকা।মদিনা এজেন্ট হাউজ থেকে এসেছে ২ লাখ ১৪ হাজার টাকা। এর বাইরে খালেক নামের এক ব্যক্তি ওসির বিকাশ/নগদে পাঠিয়েছেন ২ লাখ ৯০ হাজার ৮৫০ টাকা। লন্ড্রি পিকআপ অ্যান্ড ড্রপ নামে রেজিস্ট্রেশন করা একটি নম্বর থেকে ওসির ব্যক্তিগত মোবাইল ব্যাংকিং নম্বরে এসেছে ৬ লাখ ৩৪ হাজার ৯১০ টাকা। আর মিজানুর নামের আরেক ব্যক্তির নম্বর থেকে এসেছে ৫ লাখ ৪৯ হাজার ১২০ টাকা।পাশাপাশি ওসির ব্যক্তিগত ব্যাংক অ্যাকাউন্টেও বিপুল অর্থ লেনদেনের তথ্য মিলেছে

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওসি ইমামুল হক। তার দাবি, প্রায় এক মাস আগে তার মোবাইল নম্বর হ্যাক করা হয়েছে এবং একটি চক্র এই লেনদেন করেছে। তিনি এ ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন বলেও জানান, যদিও জিডির নম্বর জানতে চাইলে বিস্তারিত দিতে অনীহা প্রকাশ করেন।

শেয়ার করুন