Beanibazarer Alo

  সিলেট     শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যা : যুক্তিতর্ক শুনানির আগে অসুস্থ আসামি স্বপ্না

admin

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬ | ১২:০৪ অপরাহ্ণ | আপডেট: ০৪ জুন ২০২৬ | ১২:০৪ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যা : যুক্তিতর্ক শুনানির আগে অসুস্থ আসামি স্বপ্না

Manual5 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক :
রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় যুক্তি উপস্থাপন শুনানির আগে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন আসামি স্বপ্না আক্তার।

Manual7 Ad Code

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে তোলার আগে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন।

তাকে হাজতখানায় রেখে চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে । বেলা সাড়ে ১১ টায় যুক্তিতর্ক শুনানির কথা থাকলেও তা সঠিক সময় হচ্ছে না। এজন্য আরো সময় লাগবে বলে নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের বেঞ্চ সহকারী পঙ্কজ পিটার গোমেজ।

Manual7 Ad Code

এদিকে আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে সকাল ৮ টায় আদালতে হাজির করা হয়। তাদের মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। সকাল ১১ টা ২৪ মিনিটে আসামি সোহেল রানাকে এজলাসে তোলা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ১১ টা ৩৮ মিনিটে স্বপ্নাকে এজলাসে নেওয়া হয়।

Manual2 Ad Code

এর আগে গত সোমবার (১ জুন) আদালত আসামি সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।পরদিন চার্জশিটভুক্ত ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য নিয়ে সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ করেন। গতকাল আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানিতে আসামিরা নিজেরদের নির্দোষ দাবি করেন।

গত ২৪ মে ট্রাইব্যুনাল দুই আসামির বিরুদ্ধে দাখিল করা অভিযোগপত্র আমলে নেয়। এর আগে একই দিনে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের আদালতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান অভিযোগপত্র জমা দেন। পরে মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে মোট ১৭ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

মামলার সূত্রে জানা যায়, রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হলে স্বপ্না তাকে কৌশলে রুমের ভেতরে নেয়। ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন তার মা। একপর্যায়ে আসামির রুমের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান তিনি। ডাকাডাকির পর কোনও সাড়াশব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা এবং অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে আসামির শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং মাথা রুমের ভেতরে একটি বড় বালতির মধ্যে দেখতে পান। জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯ এর মাধ্যমে কল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়নগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তারে সক্ষম হয় পুলিশ।

Manual1 Ad Code

এ ঘটনায় ২০ মে ভিকটিমের বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।

শেয়ার করুন