Beanibazarer Alo

  সিলেট     সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ২রা ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিলেটে তিন খু*ন: যে দাবি সাত্তার-সুরাইয়া দম্পতির সন্তানদের

admin

প্রকাশ: ১৭ আগস্ট ২০২৬ | ০৩:১১ অপরাহ্ণ | আপডেট: ১৭ আগস্ট ২০২৬ | ০৩:১১ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
সিলেটে তিন খু*ন: যে দাবি সাত্তার-সুরাইয়া দম্পতির সন্তানদের

Manual1 Ad Code

নিউজ ডেস্ক:
সিলেটের রায়নগরে ট্রিপল মার্ডারের ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন, প্রকৃত অপরাধীদের গ্রেপ্তার, তদন্তের নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা এবং আইনের সর্বোচ্চ পর্যায়ে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার। নিহত আব্দুস সাত্তার ও সুরাইয়া দম্পতির সন্তানরা সংবাদ সম্মেলন করে এ দাবি জানান।

এই হত্যাকান্ডের ৫ দিন পর সোমবার সকালে রায়নগরের ওই বাসায় সংবাদ সম্মেলন করেন নিহত দম্পতির প্রবাসী সন্তানরা।

সকালে মিতালি আবাসিক এলাকায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব কথা জানান নিহত আব্দুস সাত্তারের ছেলে আরিফ ইফতেখার।

একইসাথে আব্দুস সাত্তার- সুরাইয়া বেগম দম্পতি ও গৃহপরিচারিকা তাহমিনার ছবি ও সংবাদ অনলাইন পোর্টাল, ফেসবুক বা অন্য কোন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ না করার অনুরোধও জানান তিনি।

এছাড়া পরিবারের নিহত তিনজনের আত্মার শান্তির জন্য সবার দোয়া, এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে মামলাটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব ও দ্রুত সুষ্ঠুভাবে তদন্ত সম্পন্ন করার আহ্বান জানান।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, এই মামলায় নিরপরাধ কেউ যদি হয়রারি শিকার না হয়, একইসঙ্গে প্রভাবশালী হওয়ার কারণে কেউ যেনো পার পেয়ে না যায়।

Manual8 Ad Code

তিনি বলেন, পুলিশের তদন্ত সন্তোষজনক না হলে মামলা সিআইডির কাছে হস্তান্তরের আহ্বান জানাবো।
নিজেদের মানসিক অবস্থার কথা উল্লেখ করে সংবাদ সম্মেলনে কোন প্রশ্নের উত্তর দেন নি তারা।

Manual1 Ad Code

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, নিহত আব্দুস সাত্তারের তিন মেয়ে তাহমিনা, সেলিনা ও তারানা। তারা আশা প্রকাশ করেন, সত্য কখনো চাপা পড়বে না একসময় প্রকাশিত হবেই৷

গত ১২ আগস্ট সকালে রায়নগর এলাকায় মিতালী ১১১ নম্বর বাসার মালিক আব্দুস সাত্তার (৯০), তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগম (৭৬) ও তাদের কাজের মেয়ে তাহমিনার (১৫) গলা কাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

ব্যবসায়ী আব্দুস সাত্তার সিলেট চেম্বার অব কমার্সের সদস্য ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ছিলেন। তিনি রায়নগরে নিজের বাসায়ই থাকতেন। এই দম্পতির চার সন্তারে মধ্যে দুই সন্তান লন্ডনে ও দুই সন্তান আমেরিকায় থাকেন।
ঘটনার দিন বেলা ৩টার দিকে রায়নগর রাজবাড়ি এলাকার আক্তার মিয়ার কলোনির বাসিন্দা ও প্রয়াত নূর মিয়া ছেলে বাবুল মিয়াকে (৪০) আটক করে পুলিশ।

Manual3 Ad Code

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডের ঘটনার কথা স্বীকার করেন জানিয়ে পুলিশ জানায়, ওই বাসার গৃহকর্মী তাহমিনার সাথে প্রেমের জেরে তিনজনকে বাবুল হত্যা করে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করে পুলিশ। যদিও নিহত দম্পতির পরিবারের পক্ষ থেকে শুরু থেকেই পুলিশের এমন দাবি অস্বীকার করা হচ্ছে।

হত্যাকান্ডের তিনদিন পর শুক্রবার রাতে সাত্তার-সুরাইয়া দম্পতির প্রবাসী মেয়ে সেলিনা সুলতানা বাদী হয়ে কতোয়ালি থানায় এ মামলা দায়ের করেন।
এজহারে জমি সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জেরেই তার বাবা-মা ও গৃহকর্মীকে ভাড়াটিয়া লোক দিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।

এদিকে, রোববার বাবুল মিয়াকে ৪ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।

Manual5 Ad Code

শেয়ার করুন