Beanibazarer Alo

  সিলেট     বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিলেটে রায়হান হ-ত্যা মাম-লায় এসআই আকবরের মৃত্যু/দন্ড

admin

প্রকাশ: ২৯ অক্টোবর ২০২৬ | ০৫:১২ অপরাহ্ণ | আপডেট: ২৯ অক্টোবর ২০২৬ | ০৫:১২ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
সিলেটে রায়হান হ-ত্যা মাম-লায় এসআই আকবরের মৃত্যু/দন্ড

Manual6 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক :
সিলেটের আলোচিত রায়হান হত্যা মামলায় এসআই আকবরের মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আব্দুল মজিদ মুন্সী এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে পুলিশের অপর দুই সদস্য কনস্টেবল টিটু চন্দ্র দাস ও কনস্টেবল হারুন অর রশীদকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে।

অন্য তিন আসামির মধ্যে বহিস্কৃত এসআই আশেক এলাহী, এসআই হাসান উদ্দিন ও সাংবাদিক আব্দুল্লাহ আল নোমানকে সাত বছর করে কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে।

মামলার প্রধান আসামী কোতোয়ালী মডেল থানার তৎকালীন ইনচার্জ, মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রাপ্ত এসআই আকবর পলাতক। তিনি ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়েছিলেন। পরে তার জামিন স্থগিত করে আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হলেও এখনো তিনি সেই নির্দেশ অমান্য করে পালিয়ে আছেন।

Manual1 Ad Code

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ১০ অক্টোবর রাতে সিলেট মহানগর পুলিশের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে তুলে নিয়ে আখালিয়ার বাসিন্দা রায়হান আহমদকে (৩৪) নির্মমভাবে নির্যাতন করা হয়। পরদিন অর্থাৎ ১১ অক্টোবর সকালে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। বর্বরোচিত ঘটনার পর রায়হানের স্ত্রী বাদী হয়ে পুলিশি হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনে মামলা দায়ের করেন।

Manual6 Ad Code

রায়হানের মৃত্যুর পরপরই এসআই আকবরসহ ৪জনকে সাময়িক বরখাস্ত ও তিনজনকে প্রত্যাহার করা হয়েছিল। পরে কনস্টেবল হারুনসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই। ২০২০ সালের ৯ নভেম্বর কানাইঘাটের দনা সীমান্ত থেকে ভারতীয় খাসিয়াদের সহযোগীতায় প্রধান আসামি আকবরকে গ্রেপ্তার করা হয়। ২০২১ সালের ৫ মে পিবিআই আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। ওই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর বিচার কার্যক্রম শুরু হয়।

Manual2 Ad Code

এ ঘটনার প্রতিবাদে সিলেটের রাজপথ উত্তাল হয়ে উঠে। ঘটনার পরপরই আকবর পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও পরে কানাইঘাটের দনা সীমান্তে ভারতীয় খাসিয়াদের সহযোগীতায় তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়।

Manual3 Ad Code

শেয়ার করুন