Beanibazarer Alo

  সিলেট     সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ২৭শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাউল সম্রাট শাহ্ আবদুল করিমের ১৭তম প্রয়াণ দিবস আজ

admin

প্রকাশ: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ০২:০৫ অপরাহ্ণ | আপডেট: ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ০২:০৫ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
বাউল সম্রাট শাহ্ আবদুল করিমের ১৭তম প্রয়াণ দিবস আজ

Manual6 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার :
বাউল সম্রাট শাহ্ আবদুল করিমের ১৭তম প্রয়াণ দিবস আজ ১২ সেপ্টেম্বর। গণসংগীত ও অসংখ্য জনপ্রিয় গানের এই রচয়িতা ২০০৯ সালের এই দিনে ৯৩ বছর বয়সে মারা যান। ১৯১৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার উজানধল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন শাহ আবদুল করিম। বাবা ইব্রাহীম আলী ও মা নাইওরজান বিবির পরিবারে জন্ম নেওয়া এই সুরস্রষ্টার সংগীতসাধনা শুরু হয় ছেলেবেলা থেকেই। শৈশব থেকেই একতারা ছিল তাঁর নিত্যসঙ্গী।

Manual8 Ad Code

গ্রামবাংলার মাটি ও মানুষকে নিয়ে কালজয়ী গান লিখেছেন শাহ আবদুল করিম। বাউল ও আধ্যাত্মিক গানের তালিম নিয়েছিলেন কমর উদ্দিন, সাধক রসিদ উদ্দিন ও শাহ ইব্রাহিম মোস্তান বক্সের কাছ থেকে। প্রখ্যাত বাউল ফকির লালন শাহ, পুঞ্জু শাহ ও দুদ্দু শাহের দর্শন থেকে গানের অনুপ্রেরণা পেয়েছিলেন তিনি।

Manual2 Ad Code

শাহ আবদুল করিমের উল্লেখযোগ্য গানের মধ্যে রয়েছে ‘বন্দে মায়া লাগাইছে, পিরিতি শিখাইছে’, ‘আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম’, ‘গাড়ি চলে না, চলে না’, ‘রঙের দুনিয়া তরে চাই না, চাই না’, ‘ঝিলমিল ঝিলমিল করেরে ময়ূরপঙ্খী নাও’, ‘আমি কূলহারা কলঙ্কিনী’, ‘কেমনে ভুলিবো আমি বাঁচি না তারে ছাড়া’, ‘কেন পিরিতি বাড়াইলারে বন্ধু’, ‘রঙিলা বারই রে’, ‘সখী তোরা প্রেম করিও না’, ‘আমার মাটির পিঞ্জিরায় সোনার ময়নারে’, ‘বসন্ত বাতাসে সইগো’, ‘আইলায় না আইলায় নারে বন্ধু’, ‘সখী কুঞ্জ সাজাও গো’, ‘গান গাই আমার মনরে বুঝাই’, ‘আগের বাহাদুরি গেল কই’, ‘আসি বলে গেল বন্ধু আইলনা’ ও ‘ভবসাগরের নাইয়া’।

Manual5 Ad Code

একুশে পদকপ্রাপ্ত শাহ আবদুল করিম অভাব-অনটন ও বাধা-বিপত্তির মধ্যেও গান সৃষ্টি থেকে বিরত থাকেননি তিনি।

সহজ-সরল জীবনযাপনের অধিকারী এই শিল্পী গানে গানে অর্ধশতাব্দীর বেশি সময় ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন। এ কারণে ধর্মান্ধ গোষ্ঠীর হাতে নানা লাঞ্ছনার শিকার হয়েছিলেন তিনি। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন, কাগমারী সম্মেলন, ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ ও স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে মানুষকে প্রেরণা জুগিয়েছে তাঁর রচিত গান।

লেখার পাশাপাশি শাহ আবদুল করিম ১ হাজার ৬০০-এর বেশি গানে সুর দিয়েছেন। তাঁর গান সাতটি বইয়ে গ্রন্থিত আছে। বাংলা একাডেমির উদ্যোগে তাঁর ১০টি গান ইংরেজিতে অনূদিত হয়েছে।

Manual4 Ad Code

শেয়ার করুন