Beanibazarer Alo

  সিলেট     বুধবার, ২০শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাইকোর্টেও মৃত্যুদণ্ড বহাল ‘সিরিয়াল কিলার’ রসু খাঁর

admin

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৪ | ০৬:১৭ অপরাহ্ণ | আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৪ | ০৬:১৭ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
হাইকোর্টেও মৃত্যুদণ্ড বহাল ‘সিরিয়াল কিলার’ রসু খাঁর

Manual2 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক:
চাঁদপুরের পারভীন হত্যা মামলায় আলোচিত ‘সিরিয়াল কিলার’ রসু খাঁর মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। এ মামলার অপর দুই আসামি রসু খাঁর ভাগ্নে জহিরুল ইসলাম (৩৫) ও তার সহযোগী মো. ইউনুছের (৩৮) মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

Manual7 Ad Code

আজ মঙ্গলবার বিচারপতি সৈয়দ মো. জিয়াউল করিম ও বিচারপতি কে এম ইমরুল কায়েশের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

রসু খাঁর বিরুদ্ধে এই মামলা ছাড়াও আদালতে আরও সাতটি মামলা রয়েছে।

চাঁদপুর সদর উপজেলার মদনা গ্রামের ছিঁচকে চোর রসু খাঁ। মসজিদের ফ্যান চুরির ঘটনায় কমিউনিটি পুলিশের হাতে ধরা পড়েন তিনি। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে একে একে বেরিয়ে আসে লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের তথ্য। এ সময় সে নিজের মুখে স্বীকার করে ১১ নারীকে ধর্ষণ ও হত্যার কথা। ভালোবাসায় ব্যর্থ হয়ে একসময় ‘সিরিয়াল কিলার’-এ পরিণত হন রসু খাঁ। টার্গেট ছিল ১০১টি হত্যা করার। আটকের আড়াই মাস আগে পারভীনকে হত্যা করে রসু খাঁ। রসু যাদের হত্যা করেছে তারা সবাই ছিলন গার্মেন্টসকর্মী। পরে তাকে এবং তার দুই সহযোগীকে পারভীন হত্যা মামলায় আসামি করা হয়।

ওই হত্যা মামলায় সিরিয়াল কিলার রসু খাঁসহ (৪৫) তিনজনকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন আদালত। অপর দুইজন হলেন, রসু খাঁর ভাগনে জহিরুল ইসলাম (৩৫) ও তার সহযোগী মো. ইউনুছ (৩৮)।

২০১৮ সালের ৬ মার্চ চাঁদপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবদুল মান্নান এ রায় দেন। এরপর মামলার নথিসহ ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে আসে। একইসঙ্গে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন আসামিরা।

Manual1 Ad Code

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত রসু খাঁ চাঁদপুর সদর উপজেলার চান্দ্রা ইউনিয়নের মদনা গ্রামের বাসিন্দা। জহিরুল পার্শ্ববর্তী ফরিদগঞ্জ উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা। আর ইউনুস একই গ্রামের বাসিন্দা।

Manual1 Ad Code

হত্যার শিকার পারভীন আক্তার ফরিদগঞ্জ উপজেলার বালিথুবা ইউনিয়নের পালতালুক গ্রামের আবুল কালামের স্ত্রী ছিলেন।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০০৯ সালের ২০ জুলাই রাতে রসু খাঁ ও অপর আসামিরা ফরিদগঞ্জ উপজেলার মধ্য হাঁসা গ্রামের মাঠে পারভীন আক্তারকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করেন। এ ঘটনার পরদিন স্থানীয়দের সংবাদের ভিত্তিতে ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।

ময়নাতদন্তের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়, পারভীনের বাম স্তনে ও দুই পায়ের উরুতে ২০টি সিগারেটের ছ্যাঁকার দাগ ছিল। ওই সময়ে পারভীনের পরিচয় না পাওয়ায় ২১ জুলাই ২০০৯ তৎকালীন ফরিদগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মীর কাশেম আলী বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তৎকালীন সময়ের এসআই মোশফিকুর রহমান ঘটনার তদন্ত শেষে একই বছরের ১৩ ডিসেম্বর আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

Manual1 Ad Code

শেয়ার করুন