Beanibazarer Alo

  সিলেট     রবিবার, ৪ঠা অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ১৯শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অর্থসঙ্কটের জন্য বিয়ানীবাজার পৌরসভার উন্নয়নে ধীরগতি

admin

প্রকাশ: ২৩ আগস্ট ২০২৫ | ০৭:৪১ অপরাহ্ণ | আপডেট: ২৩ আগস্ট ২০২৫ | ০৭:৪১ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
অর্থসঙ্কটের জন্য বিয়ানীবাজার পৌরসভার উন্নয়নে ধীরগতি

Manual7 Ad Code

বিয়ানীবাজার প্রতিনিধি:
অর্থসঙ্কটের কারণে থেমে আছে বিয়ানীবাজার পৌরসভার উন্নয়ন কার্যক্রম। আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে নিয়মিত কার্যক্রম থেকে শুরু করে নতুন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে দেখা দিয়েছে ধীরগতি। এতে নানা ভোগান্তি আর দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন বিয়ানীবাজার পৌরবাসী।

জানা যায়, বিয়ানীবাজার পৌরসভার আয়ের প্রধান উৎস হোল্ডিং ট্যাক্স, সম্পত্তি কর, ট্রেড লাইসেন্স ও বাজার ফিসহ বিভিন্ন খাত। কিন্তু ইদানিং এসব খাতে আশানুরূপ কেনো আয় আসছে না বলে দিন দিন সঙ্কট বেড়ে চলছে। তবে পৌর প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আয় বৃদ্ধির জন্য ব্যাপক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। স্থানীয় আয় দিয়ে পৌর এলাকার উন্নয়নের জন্য সর্বোচ্চ শ্রম বিনিময় করছেন। এরপরও অনেক সময় প্রকল্প হাতে নেওয়ার পরও অর্থাভাবে কাজ থেমে যাচ্ছে।

পৌরসভার কর্মকর্তারা জানান, বিয়ানীবাজার পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের বিভিন্ন ধরনের উন্নয়নমূলক কাজ-রাস্তাঘাট মেরামত, নর্দমা পরিষ্কার, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি কাজ চলমান রাখতে হচ্ছে। এই কাজগুলোতে প্রচুর অর্থ ব্যয় হয়।

Manual7 Ad Code

এদিকে নগরবাসীর অভিযোগ, ‘অনেক জায়গায় সড়ক মেরামত হচ্ছে না। ড্রেনেজ ব্যবস্থা ঠিক হচ্ছে না। সড়কের স্ট্রিট লাইটগুলোও অনেক এলাকায় নষ্ট পড়ে রয়েছে যেগুলো সংস্কার করা হচ্ছে না। নালা-নর্দমা পরিষ্কার না করায় সামান্য বৃষ্টিতেই এলাকায় পানি জমে দুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে।

Manual4 Ad Code

সরেজমিনে বিয়ানীবাজার পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে গিয়ে দেখা যায়, ‘প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে পৌর এলাকার বিভিন্ন অলি-গলির রাস্তার অবস্থা বড়ই বেহাল। সড়কের পিচের সঙ্গে উঠে গেছে খোয়াও। কোথাও কোথাও ইট-সুরকির জোড়াতালি দিয়ে চলছে সড়কগুলো। বড় বড় গর্তের জন্য রাস্তায় চলাচলে ভোগান্তি পোহাতে হচ্চে জনসাধারণকে। রাস্তা সংস্কার নিয়ে মানুষের অভিযোগের শেষ নেই। অন্যদিকে, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন অভিযান না থাকার ফলে পৌর এলাকজুড়ে ডেঙ্গু আতঙ্কে আছেন পৌরবাসী।

Manual4 Ad Code

বিয়ানীবাজার পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিকুঞ্জ ব্যানার্জি বলেন, ‘গত একবছরে মাত্র দেড় কোটি টাকা বরাদ্দ এসেছে। এরমধ্যে ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ আনেন জামায়াতে ইসলামী ঢাকা উত্তরের আমীর মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। আরো কিছু টাকা পাইপলাইনে আছে। যে কাজগুলো অর্ধেক বা অপেক্ষমাণ রয়েছে, সেগুলো নিয়ে আমরা পরিকল্পনা করে এগোচ্ছি। সব কাজ একসঙ্গে ধরা যাবে না।’

বিয়ানীবাজার পৌরসভার প্রশাসক গোলাম মোস্তাফা মুন্না বলেন, ‘আমাদের অর্থবছর তো মাত্র শুরু হলো। রাজস্ব আদায়ে আমাদের টার্গেট বাড়ানো হয়েছে। বিভিন্ন সেক্টরে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সে অনুযায়ী কাজ চলছে। আপাতত আমাদের কোনো অর্থসঙ্কট নেই । দৈনিক নাগরিক সেবার জন্য অর্থ ব্যয় হচ্ছে। তাই চাইলেও সব কাজ একসঙ্গে ধরা হচ্ছে না। ’

Manual4 Ad Code

শেয়ার করুন