Beanibazarer Alo

  সিলেট     বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ২৮শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঈদ আসছে, প্রস্তুত সিলেট

admin

প্রকাশ: ০১ মার্চ ২০২৬ | ১২:১৬ পূর্বাহ্ণ | আপডেট: ০১ মার্চ ২০২৬ | ১২:১৬ পূর্বাহ্ণ

ফলো করুন-
ঈদ আসছে, প্রস্তুত সিলেট

Manual7 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার:

আর মাত্র কয়েকদিন। তারপরই মুসলিম উম্মাহর সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর। এই উৎসবকে রাঙিয়ে তুলতে সাধারণ মানুষের প্রস্তুতি থাকে বছরজুড়ে। ব্যতিক্রম নয় এবারও। প্রস্তুতি সেরে ফেলেছেন সিলেটের ব্যবসায়ীরা। তারা এখন অধির আগ্রহে অপেক্ষায় ক্রেতাদের চাহিদা মেটাতে।

Manual6 Ad Code

 

পবিত্র ঈদুল ফিতর হতে পারে ১৯ বা ২০ মার্চ। তার আগে কেনাকাটার ধুম পড়বে। সারাবছর যত পোশাক-আশাক বিক্রি হয়, তারচে কয়েকগুণ বেশি বিক্রিয় এই ঈদে। আর তাই ব্যবসায়ীরা এই ঈদকে কেন্দ্র করে মোটা অংকের পুঁজি বিনিয়োগ করেন। সেই বিনিয়োগের মধ্যে যেমন নতুন থাকে নতুন পণ্যের চালান মজুত করা, তেমনি থাকে প্রতিষ্ঠান সাজানো, আলোক সজ্জা ইত্যাদি।

এবার রমজানের শুরু থেকেই সিলেট মহানগরীর বিভিন্ন মার্কেটে ঢুঁ দিয়ে দেখা গেছে, ব্যবসায়ীরা নতুন নতুন ব্রান্ডের কাপড়ের চালানে যেমন দোকান সাজাচ্ছেন, তেমনি পুরানো ঐতিহ্যবাহী পোশাকও রাখছেন তাদের স্টকে। কোনো কোনো দোকান ধোয়ামোছা করতেও দেখা গেছে।

আর বাহারী আলোক সজ্জাতো সিলেটের ঈদ-উৎসবের অন্যতম প্রধান এক ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে।

 

Manual7 Ad Code

নগরীর বন্দরবাজার, জিন্দাবাজার, চৌহাট্টা, আম্বরখানা, নয়াসড়ক, কুমারপাড়া, পূর্ব জিন্দাবাজার, লামাবাজার এলাকার প্রায় সব মার্কেট ও বিপণীবিতান রমজানের শুরু থেকেই মনোহারী আলোক সজ্জায় সজ্জিত করা হয়েছে। নয়াসড়ক ও কুমারপাড়া পুরো এলাকাটিই এখন রঙিন আলোর ঝলকানিতে উজ্জল।

কেবল সাজগোজই নয়, কিছুটা বেচাকেনাও শুরু হয়ে গেছে। রোজার রাতে প্রতিদিন পাল্লা দিয়ে রাস্তাঘাট মার্কেট ও বিপণী বিতানগুলোতে বাড়ছে ক্রেতাদের আনাগোনা।

Manual5 Ad Code

 

Manual3 Ad Code

কয়েকজন ব্যবসায়ীর সঙ্গে আলাপে জানা যায়, এখন খুব কম বিক্রি হচ্ছে। তবে ক্রেতারা  আসছেন দেখছেন। কোন প্রতিষ্ঠানে কেমন সংগ্রহ ইত্যাদি পরখ করছেন। নিজের চাহিদার কথা জানাচ্ছেন।

তবে শিশুদের জন্য বিশেষায়িত দোকানগুলোতে কিন্তু কিছুটা হলেও ব্যবসা শুরু হয়ে গেছে।

 

জিন্তাবাজার এলাকার এমনই এক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার সিদ্দিকুর রহমান জানালেন, কিছু কিছু কেনাকাটা কররা। বাচ্চাইনতোর লাগি মানষে একটু আগেভাগেই কিনিলিতা ছাইন। পরে যাতে ঝামেলাত পড়তে না অয়।

 

একই কথা জানালেন আব্দুর রহমান (৪২) নামের একজন ক্রেতা। সপরিবারে চলে এসেছে নিজের দুই শিশু-সন্তানের জন্য কেনাকাটা করতে। বললেন, ওদের জন্যতো কিনতেই হয়। কিছুটা কিনেছি। আর নিজেদের জন্য  আপাতত দেখছি।

শেয়ার করুন