Beanibazarer Alo

  সিলেট     শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ৩১শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

একসাথে প্রচারে আরিফ-মুক্তাদির, বিএনপিতে ঐক্যের বার্তা

admin

প্রকাশ: ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ০৪:১৭ অপরাহ্ণ | আপডেট: ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ০৪:১৭ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
একসাথে প্রচারে আরিফ-মুক্তাদির, বিএনপিতে ঐক্যের বার্তা

Manual8 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার:

Manual3 Ad Code

তাঁরা দুজনই বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা। সিলেটে বিএনপি তাদের নামে দুটি বলয়ে বিভক্ত। তারা হলেন- খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ও আরিফুল হক চৌধুরী।

সিলেট-১ আসনে আরিফুল হক চৌধুরীও বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। তবে দল থেকে মনোনয়ন দেয়া হয় খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরকে। আর সীমান্তবর্তী সিলেট-৪ আসনে মনোনয়ন পান সিলেট সিটির সাবেক মেয়র আরিফ।

Manual3 Ad Code

তবে বিভক্তি ভুলে সোমবার একসাথে প্রচারণায় নেমেছেন খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ও আরিফুল হক চৌধুরী। সোমবার দুপুরে নগরের আম্বরখানা এলাকায় সিলেট-১ আসনের প্রার্থী খন্দকার মুক্তাদিরের পক্ষে প্রচারণায় নামেন আরিফুল হক চৌধুরী। এসময় সিলেট সিটি করপোরেশরনের বিএনপি দলীয় সাবেক কাউন্সিলররাও প্রচারণায় অংশ নেন।

Manual6 Ad Code

বিএনপি নেতারা বলছেন, আরিফুল হক চৌধুরী সিলেট-৪ আসনের প্রার্থী হলেও দীর্ঘদিন মেয়র থাকার ফলে সিলেট নগরে তার আলাদা গ্রহণযোগ্যতা ও ভোটব্যাংক রয়েছে। এছাড়া বিএনপির একটি অংশের মধ্যেও আরিফের প্রভাব রয়েছে। এতোদিন তারা নীরব ছিলেন। মুক্তাদিরের পক্ষে মাঠে নামেননি।

Manual5 Ad Code

এই নেতাদের ভাষ্য, আরিফুল হক চৌধুরী নিজের প্রচারণা ফেলে খন্দকার মুক্তাদিরের পক্ষে মাঠে নামায় দলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীকের কাছে ইতিবাচক বার্তা যাবে। তারা এবার ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে নামবেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় বিএনপির এক নেতা বলেন, একটা সময় সিলেট বিএনপিতে একচ্ছত্র আধিপত্য ছিল প্রয়াত অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের। পরে তাঁকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বিএনপির ‘নিখোঁজ’ নেতা এম ইলিয়াস আলী আলাদা বলয় তৈরি করেন। সাইফুর রহমানের মৃত্যু ও ইলিয়াস আলী ‘নিখোঁজ’ হওয়ার পর বিএনপিতে নতুন মেরুকরণ হয়। এখন মুক্তাদির ও আরিফুলে নেতা-কর্মীরা বিভক্ত।

তৃণমূল বিএনপির নেতা-কর্মীরা জানান, মুক্তাদিরের বাবা খন্দকার আবদুল মালিক ১৯৯১ সালে পঞ্চম সংসদ নির্বাচনে সিলেট-১ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সংসদ সদস্য হন। পাশাপাশি সিলেটের বনেদি পরিবার হিসেবেও তাঁদের ব্যাপক নামডাক আছে। ভদ্র ও সজ্জন হিসেবে পরিচিত মুক্তাদির ২০১৮ সালের নির্বাচনেও সিলেট-১ আসন থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন।

অন্যদিকে আরিফুল হক শহর ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য, বিএনপির সিলেট মহানগরের সভাপতি ও জেলার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আওয়ামী লীগ দলীয় জনপ্রিয় প্রার্থী বদরউদ্দিন আহমদ কামরানকে হারিয়ে টানা দুইবার মেয়র নির্বাচিত হন আরিফ। সবশেষ সিটি নির্বচনে দলীয় নির্দেশনা মেনে প্রার্থী হননি।

শেয়ার করুন