Beanibazarer Alo

  সিলেট     বুধবার, ১৩ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ৩০শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিলেটে ধর্ষণচেষ্টা-হত্যা :

‘খাটের নিচে লাশ লুকিয়ে রেখে স্বজনদের সঙ্গে শিশুটিকে খুঁজতে যান আসামি’

admin

প্রকাশ: ১২ মে ২০২৬ | ০৭:১৭ অপরাহ্ণ | আপডেট: ১২ মে ২০২৬ | ০৭:১৭ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
‘খাটের নিচে লাশ লুকিয়ে রেখে স্বজনদের সঙ্গে শিশুটিকে খুঁজতে যান আসামি’

Manual4 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার:
সিলেটে চার বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার পর হত্যার ঘটনায় করা মামলায় জাকির হোসেন (৩০) নামে প্রতিবেশী এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (১১ মে) রাতে সিলেট সদর উপজেলা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় তাকে।

গ্রেপ্তার হওয়া জাকির হোসেন সদর উপজেলার একটি এলাকার বাসিন্দা।

Manual4 Ad Code

এদিকে আসামির গ্রেপ্তারের খবর পেয়ে কঠোর শাস্তি দাবি করে রাতে স্থানীয় বাসিন্দারা বিক্ষোভ করেছেন। একপর্যায়ে তারা থানা ঘেরাও করে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। পরে মধ্যরাতে আসামির বাড়িতে হামলা চালানো হয়।

Manual2 Ad Code

এর আগে, গত ৬ মে ওই শিশু নিখোঁজ হয়েছিল। এরপর ৮ মে বাড়িসংলগ্ন একটি ডোবার পাশ থেকে শিশুটির মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

Manual7 Ad Code

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিশুটির নিখোঁজের ঘটনায় তার মা প্রথমে থানায় জিডি করেছিলেন। পরে মরদেহটি উদ্ধারের পর অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করা হয়। ওই মামলায় জাকির হোসেন গ্রেপ্তার হয়েছেন।

Manual5 Ad Code

জানা যায়, জাকির হোসেন প্রাথমিকভাবে পুলিশের কাছে হত্যাকাণ্ডের ঘটনার দায় স্বীকার করেছেন। আজ দুপুরে নিজ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সিলেট মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সাইফুল ইসলাম জানান, ৬ মে সকালে শিশুটিকে মুদিদোকান থেকে সিগারেট আনতে পাঠিয়েছিলেন জাকির। সিগারেট আনার পর শিশুটিকে নিজ ঘরে নিয়ে যান আসামি। এসময় বাড়িটিতে কেউ ছিলেন না। এ সুযোগে শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন জাকির। একপর্যায়ে জ্ঞান হারালে শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন আসামি। এরপর মরদেহ প্রথমে ঘরের ভেতরের একটি স্যুটকেসে লুকিয়ে রাখেন। এলাকায় খোঁজাখুঁজি শুরু হলে লাশটি খাটের নিচে লুকিয়ে রাখেন, এমনকি সবার সঙ্গে শিশুটিকে খুঁজতেও যোগ দেন।

সাইফুল ইসলাম বলেন, পরে সেখান থেকে দুর্গন্ধ বের হলে ওই দিন গভীর রাতে পাশের একটি ডোবায় মরদেহ ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে ভেসে ওঠায় মরদেহটি ডোবার পাশে গাছের নিচে লুকিয়ে রাখেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মামলার তদন্ত অব্যাহত আছে। ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনা হবে। শিশুটি পাশবিক নির্যাতনের শিকার হয়েছিল কি না, সেটি ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের পর জানা যাবে।

এ বিষয়ে সিলেটের জালালাবাদ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শামসুল হাবিব বলেন, গ্রেপ্তার জাকির হোসেনকে আদালতে নেওয়া হয়েছে।

শেয়ার করুন