Beanibazarer Alo

  সিলেট     শনিবার, ৩রা অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ১৮ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের প্রশাসক: আলোচনায় যারা

admin

প্রকাশ: ১৭ মার্চ ২০২৬ | ১১:৪৬ অপরাহ্ণ | আপডেট: ১৭ মার্চ ২০২৬ | ১১:৪৬ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের প্রশাসক: আলোচনায় যারা

Manual5 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার:

Manual3 Ad Code

সিলেটের সীমান্তবর্তী জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের শূন্যতা পূরণে বইছে পরিবর্তনের হাওয়া। সবকিছু ঠিক থাকলে পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগেই উপজেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগের জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

 

স্থানীয় সরকারের এই নিয়োগকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতির অন্দরমহল থেকে শুরু করে চায়ের আড্ডা—সবখানেই এখন একটাই প্রশ্ন: কার ভাগ্যে জুটছে প্রশাসকের চেয়ার?

Manual5 Ad Code

হাইকমান্ডের টেবিলে সংক্ষিপ্ত তালিকা

 

Manual1 Ad Code

নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে, জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের প্রশাসনিক দায়িত্ব অর্পণের জন্য একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা তৈরি করেছে দলীয় হাইকমান্ড।

Manual3 Ad Code

 

গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তৈরি করা এই তালিকায় রয়েছেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সাবেক বৃহত্তর ফতেহপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন, বর্তমান উপজেলা বিএনপি সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ, উপজেলা বিএনপি সাবেক সভাপতি দরবস্ত ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এনায়েত উল্লাহ, সাবেক উপজেলা বিএনপি আহবায়ক সাবেক চিকনাগুল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এবিএম জাকারিয়া, সাবেক সিলেট জেলা পরিষদের সদস্য ও উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান এবং উপজেলা বিএনপি সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুহিবুল হক,উপজেলা বিএনপি বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাফিজ, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক দরবস্ত ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বাহারুল আলম বাহার,উপজেলা বিএনপি সাংগঠনিক সম্পাদক নিজপাট ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ইন্তাজ আলী। আলোচনায় থাকা ৮ জন প্রভাবশালী নেতার নাম গুরুত্বের সাথে আলোচিত হচ্ছে। তালিকায় ঠাঁই পাওয়া নেতাদের মধ্যে যেমন রয়েছেন দীর্ঘদিনের রাজপথ কাঁপানো অভিজ্ঞ প্রবীণ রাজনীতিবিদ, তেমনি আধুনিক ও গতিশীল নেতৃত্ব উপহার দিতে সক্ষম ক্লিন ইমেজের নবীন নেতৃত্বও রয়েছেন।

নিয়োগের মূল মাপকাঠি ও যাচাই-বাছাই জানা গেছে, এবারের প্রশাসক নিয়োগে প্রার্থীর অতীত রেকর্ড, দলীয় আনুগত্য এবং সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতাকে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে প্রতিটি প্রার্থীর সামাজিক অবস্থান, এলাকায় প্রভাব এবং বিগত দিনের কর্মকাণ্ড নিয়ে একটি বিশেষ আমলনামা তৈরি করে নীতিনির্ধারকদের কাছে পাঠানো হয়েছে। বিশেষ করে কোনো ধরনের নেতিবাচক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকার প্রমাণ থাকলে তাকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার কঠোর নির্দেশনা রয়েছে হাইকমান্ডের।

শেয়ার করুন