Beanibazarer Alo

  সিলেট     রবিবার, ২৪শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ১০ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তিন মাস আগে বিয়ে করেন র‌্যাব সদস্য ইমন

admin

প্রকাশ: ২৩ মে ২০২৬ | ১২:৫৬ অপরাহ্ণ | আপডেট: ২৩ মে ২০২৬ | ১২:৫৬ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
তিন মাস আগে বিয়ে করেন র‌্যাব সদস্য ইমন

Manual7 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক:
গত তিন মাস আগে বিয়ে করেন সিলেটে ছিনতাইকারীকে ধরতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে নিহত হওয়া র‌্যাব-৯ এর সদস্য ইমন আচার্য। ছেলেকে হারিয়ে পরিবারের চলছে শোকের মাতম। সিলেট কর্মস্থলে যোগদানের প্রায় ১০দিন আগে তিনি বাড়ি থেকে আসেন। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলায়। তিনি উপজেলার ধলই ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের আশ্চর্যপাড়ায়। তিনি ওই এলাকার রঞ্জিত আশ্চর্যের কনিষ্ঠ পুত্র।

Manual5 Ad Code

এদিকে, ইমন নিহত হওয়ার খবর পেয়ে ইতোমধ্যে তার স্বজনরা সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে উপস্থিত হয়েছেন। ময়নাতদন্ত শেষে সিলেটে ইমনের মরদেহের বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে নিয়ে যাওয়া হবে চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার গ্রামের বাড়িতে।

Manual5 Ad Code

শুক্রবার (২২ মে) দুপুরে কোতোয়ালি থানা লাগোয়া সুরমা তীরবর্তী চাঁদনীঘাট এলাকায় ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে নিহত হন ইমন আচার্য (কনস্টেবল নম্বর: ৬৯১৭৯০)।

নিহত ইমনের কাকা হাটহাজারী উপজেলার কাটিরহাটের পশ্চিমে পশ্চিম ধলই উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক প্রাণজিৎ আচার্য জানান, গত তিন মাস আগে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন ইমন। ফেব্রুয়ারি মাসে আমার ভাইপো বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়ছিল। এই অল্প দিনের মধ্যে তার স্ত্রীকে বিধবা হতে হলো। গত ১০ দিন আগে গ্রামের বাড়ি থেকে কর্মস্থল সিলেট গিয়েছিল। এর মধ্যে শুক্রবার দুপুরে সংবাদ পেলাম আমার ভাইপো আর এই পৃথিবীতে নেই।

Manual8 Ad Code

পুলিশ জানায়, শুক্রবার দুপুরে কোতোয়ালি থানা লাগোয়া কয়েকজন ছিনতাইকারী ও মাদকসেবী বসে মাদক সেবন করার সময় পুলিশের একটি দল তাদের ধাওয়া করে। পুলিশের তাড়া খেয়ে মাদকসেবীরা দৌড়ে পালাতে শুরু করলে ওই এলাকায় সাদা পোশাকে থাকা র‌্যাব সদস্য ইমন আচার্য পুলিশকে সহযোগিতা করতে এগিয়ে যান। তিনি ছিনতাইকারী আসাদুল আলম বাপ্পীকে জাপটে ধরেন। দুজনের তীব্র ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে বাপ্পী ধারালো ছুরি দিয়ে ইমনের বুকের বাম পাশে আঘাত করে। রক্তাক্ত ও গুরুতর আহত অবস্থায় ইমনকে উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিসিইউ-২) চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

Manual3 Ad Code

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, র‌্যাব সদস্যকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যাওয়ার সময় ঘাতক বাপ্পী তোপখানার একটি বাসায় ঢুকে পড়ে। বাঁচার শেষ চেষ্টা হিসাবে সে এক শিশুর গলায় ছুরি ধরে পরিবারকে জিম্মি করার চেষ্টা চালায়। পরবর্তীতে পুলিশ ও র‌্যাবের যৌথ দল অত্যন্ত নিখুঁত ও কৌশলী অভিযান চালিয়ে জিম্মি শিশুর প্রাণ রক্ষা করে। পরে ঘটনাস্থল থেকেই হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা ছুরিসহ আসাদুল আলম বাপ্পীকে পুলিশ গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

শেয়ার করুন