Beanibazarer Alo

  সিলেট     বৃহস্পতিবার, ২০শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ৫ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মুলা-বেগুন প্রতীক ইসির রুচিবোধের প্রকাশ: সারজিস আলম

admin

প্রকাশ: ০৬ অক্টোবর ২০২৫ | ১২:০০ অপরাহ্ণ | আপডেট: ০৬ অক্টোবর ২০২৫ | ১২:০০ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
মুলা-বেগুন প্রতীক ইসির রুচিবোধের প্রকাশ: সারজিস আলম

Manual5 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার:
নির্বাচন কমিশনের প্রতীক তালিকায় মুলা, বেগুনের মতো ‘হাস্যকর প্রতীক’ রাখা তাদের রুচিবোধের ঘাটতির পরিচায়ক বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।

রোববার (৫ অক্টোবর) বিকেলে পঞ্চগড়ের শের-ই-বাংলা পার্কে বিভিন্ন এলাকার মসজিদ কমিটির সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সারজিস আলম বলেন, ‘যে ধরনের প্রতীক মানুষের হাসির খোরাক জোগায়, তা নির্বাচন কমিশনের তালিকায় কীভাবে থাকে? এটা তাদের রুচিবোধেরই প্রকাশ। নির্বাচন কমিশনেরই ঠিক করা উচিত কোন প্রতীক থাকা উচিত। আমাদের বলে দিতে হবে কেন? দেশে কি প্রতীকের অভাব পড়েছে?’

Manual5 Ad Code

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আশা করছি কমিশন বিষয়টি সংশোধন করবে। আইনগত কোনো বাধা না থাকায় আমরা শাপলাই প্রতীক হিসেবে রাখছি। সাদা বা লাল যে শাপলাই হোক, এমনকি শাপলার সঙ্গে অন্য কিছু যুক্ত হলেও আমাদের আপত্তি নেই।’

Manual1 Ad Code

এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচন কমিশন এখন স্বেচ্ছাচারিতায় লিপ্ত হয়েছে এবং কারও প্রভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করছে। ‘আমরা তা মেনে নেব না, প্রয়োজনে রাজনৈতিকভাবেই মোকাবিলা করবো। আগামীর নির্বাচনে শাপলা প্রতীক নিয়েই অংশ নেব,’ বলেন তিনি।

Manual8 Ad Code

ভারতের মহানন্দা নদীর উজানে হঠাৎ নয়টি স্লুইসগেট খুলে দেওয়ায় বাংলাবান্ধার একটি গ্রাম নদীভাঙনের ঝুঁকিতে পড়েছে বলে অভিযোগ করেন এনসিপি নেতা।

Manual6 Ad Code

তিনি বলেন, ‘ভারত যদি প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসেবে থাকতে চায়, তাহলে তাদের আচরণও হতে হবে প্রতিবেশীর মতো। মন চাইলে গেট খুলে দেওয়া বা আটকে রাখা বন্ধ করতে হবে। না হলে বাংলাদেশে অ্যান্টি-ইন্ডিয়ান সেন্টিমেন্ট আরও বাড়বে, যা দুদেশের সম্পর্কের জন্য শুভ নয়।’

হুঁশিয়ার করে তিনি বলেন, ‘সব দিন ভারতের নয়, বাংলাদেশেরও দিন আসবে। আমরা সমতা ও ভ্রাতৃত্বের আচরণ প্রত্যাশা করি। যতদিন শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে না দেওয়া হবে, ততদিন তারা বাংলাদেশের মানুষের কাছ থেকে প্রত্যাশিত সাড়া পাবে না।’

বাংলাবান্ধায় নদীর পাড়ে বাঁধ নির্মাণে বিএসএফের বাধা ও গুলির ঘটনার উল্লেখ করে সারজিস আলম বলেন, ‘এর আগে বাংলাবান্ধার মহানন্দার পাড়ে বাঁধ দেওয়ার সময় বিএসএফ বাধা দিয়েছিল, এমনকি তারা গুলি ছুড়েছে। বাংলাদেশের নদীর পাড়ে আমরা ব্লক দেব, আর ওরা গুলি করবে—এই সাহস যদি এবার বিএসএফ করে, তাহলে বিজিবি হোক বা বাংলাদেশের মানুষ, উপযুক্ত জবাব দেবে।’

তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে তিনি ইতোমধ্যে পরিবেশ উপদেষ্টা ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং তারা দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

এনসিপির উদ্যোগে জেলার পাঁচটি উপজেলার ১২০টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকার উন্নয়ন বরাদ্দ আনা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

পরে গণঅভ্যুত্থানসহ দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিহত ও আহতদের স্মরণে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

শেয়ার করুন