Beanibazarer Alo

  সিলেট     শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ৩০শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যে শর্তে বিএনপিতে ফিরতে চান রুমিন ফারহানা

admin

প্রকাশ: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ০৬:৪২ অপরাহ্ণ | আপডেট: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ০৬:৪২ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-

Manual5 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার:

ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২  (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের আংশিক) আসনে বিপুল ভোটে জয় পেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা। নির্বাচনের পরদিন হাঁস কোলে সংবাদ সম্মেলনে আসেন বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত এ নেত্রী। এতে দলে ফেরা নিয়ে এক প্রশ্নে বিভিন্ন শর্তের কথা বলেন তিনি।

Manual4 Ad Code

বিএনপির সাবেক আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহ-সম্পাদক ছিলেন রুমিন ফারহানা। একাদশ জাতীয় সংসদে বিএনপির সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন তিনি। তবে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপি জোটের প্রার্থীর বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র নির্বাচন করেন রুমিন। এ কারণে ৩০শে ডিসেম্বর তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। তার নির্বাচনি প্রচারণা চালানোর দায়ে সরাইল উপজেলা, বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের ১০ নেতাকে বহিষ্কার করে বিএনপি।

রুমিন ফারহানা জানান, তাকে দলে ফেরাতে হলে তার যে সব নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে, তাদেরও বিএনপিতে ফেরাতে হবে।

ভোটের মার্কা হিসেবে হাঁস বেছে নেওয়ার কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, আমার অনেক হাঁস ছিল, মোরগ ছিল, কবুতর ছিল। আম্মুর বড় চাকরির সুবাদে আমরা বড় বড় বাসায় থাকতাম। এরপর তো আমরা ছোট অ্যাপার্টমেন্টে চলে গেলাম। তখন এই হাঁস পালা হলো না কিন্তু এখানে (ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে) আমার হাঁস-মুরগি অনেককিছু আছে। তাদের সঙ্গে আমার অবসর সময় কাটে। হাঁসের সঙ্গে তার এই স্মৃতি-অভ্যাসের কারণেই তিনি হাঁসকে প্রতীক হিসেবে বেছে নিয়েছেন বলে জানান।

Manual4 Ad Code

রুমিন ফারহানা বলেন, আমার জার্নিটা কঠিন ছিল। কিন্তু আমার চেয়েও কঠিন জার্নি ছিল আমার নেতাকর্মীদের। আমি যদি আজকে না জিততাম, আমায় হয়তো আবার ঢাকায় ফিরে যেতে হতো। আমি আমার পেশায় ফিরে যেতাম। আমার এতগুলো কর্মী, সবাই বহিষ্কার হয়ে গেছে। ১৭টা বছর তারা এত কষ্ট করেছে, এত শ্রম দিয়েছে, তারা ঘরে ঘুমাতে পারে নাই। তারা কেউ কষ্ট রাখে নাই মনে; সবাই খুশি। এই ভালোবাসার ঋণ কীভাবে শোধ করবো আমি?

Manual4 Ad Code

তিনি অভিযোগ করেন, বৃহস্পতিবার দুপুরের পর বিভিন্ন জায়গায় ভোট ছাপানোর চেষ্টা হয়েছে, ফলাফল আটকে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে।

Manual1 Ad Code

রুমিন ফারহানা বলেন, জালিয়াপাড়া কেন্দ্রে আমি নিজে গিয়েও খেজুর গাছের কর্মীদের সঙ্গে মারামারি করেছি। মারামারি করে আমি কেন্দ্রে ঢুকেছি। আবার ভোট গুনিয়েছি। কিছু ফলস ভোট পেয়েছি। এগুলো সবই চ্যালেঞ্জ।

প্রসঙ্গত, বিএনপি জোট সমর্থিত প্রার্থীকে ৩৮ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা। হাঁস প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তিনি এক লাখ ১৮ হাজার ৫৪৭টি ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জুনায়েদ আল হাবীব ‘খেজুর গাছ’ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৮০ হাজার ৪৩৪টি ভোট।

শেয়ার করুন