Beanibazarer Alo

  সিলেট     বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ১৫ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিলেটে একই সড়কে যুক্ত হবে তিন পর্যটনকেন্দ্র

admin

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬ | ১২:৩১ অপরাহ্ণ | আপডেট: ১৮ জুন ২০২৬ | ১২:৩১ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
সিলেটে একই সড়কে যুক্ত হবে তিন পর্যটনকেন্দ্র

Manual4 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক :
পর্যটকদের ভোগান্তি আর খরচ কমাতে এবার ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এবার সিলেটের তিনটি পর্যটনকেন্দ্র ভোলাগঞ্জের সাদাপাথর, বিছনাকান্দি ও জাফলংকে একই সড়কে যুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর (এলজিইডি)। প্রায় ৩২ দশমিক ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সংযোগ সড়ক নির্মিত হলে সীমান্তঘেঁষা পাহাড়, নদী, চা-বাগান ও পাথুরে জলধারার পাশ দিয়ে গড়ে উঠবে দেশের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন রুট। বর্তমানে সাদাপাথর থেকে জাফলং যেতে হলে পর্যটকদের সিলেট শহর হয়ে দীর্ঘ পথ ঘুরে যেতে হয়। এতে সময় ও খরচ দুটিই বেড়ে যায়। নতুন সড়ক চালু হলে সিলেট শহরে না গিয়েই সরাসরি সাদাপাথর, বিছনাকান্দি ও জাফলং ভ্রমণ করা সম্ভব হবে।

এলজিইডি সূত্রে জানা যায়, প্রকল্পের এক অংশে ১৯ দশমিক ৫ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণের মাধ্যমে ভোলাগঞ্জের সাদাপাথর এবং বিছনাকান্দির মধ্যে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করা হবে। অপর অংশে রাধানগর থেকে জাফলং পর্যন্ত আরও ১৩ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ করা হবে। পুরো রুটে চারটি সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানা গেছে এলজিইডি সূত্রে।

এ বিষয়ে এলজিইডির সিলেট কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মামুন খান বলেন, আগামী বছরের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের লক্ষ্য নিয়ে কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি সিলেটের বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রকে একটি সমন্বিত সড়ক নেটওয়ার্কে আনার পরিকল্পনাও রয়েছে বলেও জানান তিনি।

Manual4 Ad Code

জানা যায়, এই সড়কের আকর্ষণ হবে এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। ভারতীয় মেঘালয় সীমান্তঘেঁষা পুরো পথজুড়ে থাকবে পাহাড়ের সারি, পিয়াইন ও ধলাই নদীর স্বচ্ছ জলধারা এবং সবুজে ঘেরা গ্রামীণ জনপদ। পথে দেখা মিলবে সাদাপাথরের সাদা পাথরে মোড়া নদী, বিছনাকান্দির পাথুরে জলপ্রবাহ এবং জাফলংয়ের ডাউকি নদীর অপরূপ সৌন্দর্যের। বর্ষা মৌসুমে পাহাড়ি ঝরনা ও মেঘের আনাগোনায় এ সড়কের সৌন্দর্য আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বাসিন্দারাও প্রকল্পটিকে স্বাগত জানিয়েছেন।

Manual5 Ad Code

৫ নম্বর উত্তর রনিখাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ফয়জুর রহমান বলেন, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে সীমান্তবর্তী গ্রামীণ জনপদের চিত্র বদলে যাবে। পর্যটনের পাশাপাশি যাতায়াত, ব্যবসা-বাণিজ্য ও স্থানীয় বাজার ব্যবস্থায়ও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

Manual2 Ad Code

শেয়ার করুন