Beanibazarer Alo

  সিলেট     শুক্রবার, ৩রা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ১৯শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্পিকারের কাছে ইনসাফের প্রত্যাশা বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের

admin

প্রকাশ: ১২ মার্চ ২০২৬ | ০২:৫০ অপরাহ্ণ | আপডেট: ১২ মার্চ ২০২৬ | ০২:৫০ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
স্পিকারের কাছে ইনসাফের প্রত্যাশা বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের

Manual7 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার:
জুলাই বিপ্লবের রক্তস্নাত ঐতিহাসিক পটভূমিতে যাত্রা শুরু করলো ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ১১টায় উৎসবমুখর ও উদ্দীপনাপূর্ণ পরিবেশে সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনে স্পিকার হিসেবে মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ এবং ডেপুটি স্পিকার হিসেবে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল নির্বাচিত হয়েছেন। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নবনির্বাচিত স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে শপথবাক্য পাঠ করান।

Manual6 Ad Code

এর আগে সংসদ নেতার আসনে উপবিষ্ট হয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম সভাপতি হিসেবে প্রস্তাব করলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তা সমর্থন করেন। বিরোধী দলের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্তে সমর্থন জানান জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর সৈয়দ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ তাহের।

Manual8 Ad Code

এরপরে সংসদে নবনির্বাচিত স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে অভিনন্দন জানিয়ে বক্তব্য রাখেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান। তিনি তার বক্তব্যের শুরুতেই জুলাইয়ের শহীদি জনতাকে স্মরণ করে বলেন, ‘আজকের এই সংসদ জুলাইয়ের পবিত্র রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। আমরা আশা করি, এই সংসদে সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে স্পিকার কোনো পার্থক্য করবেন না।’

Manual5 Ad Code

স্পিকারকে একজন ‘লড়াকু মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, ‘আপনার ওপর জাতির অনেক প্রত্যাশা। আমরা আপনার কাছ থেকে শুধু ইনসাফ বা ন্যায়বিচার চাই।’ ডা. শফিকুর রহমান তার স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে নিজেকে ‘তরুণ’ দাবি করে হাস্যরসের সৃষ্টি করেন এবং নতুন প্রজন্মের প্রত্যাশা পূরণে সংসদকে কার্যকর করার আহ্বান জানান। বক্তব্যের শেষে তিনি উচ্চকণ্ঠে ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ বলে ইনসাফ কায়েমের জোরালো দাবি তোলেন।

মধ্যাহ্নভোজের বিরতি শেষে পুনরায় অধিবেশন শুরু হলে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘এই সংসদ যেন অতীতের মতো ব্যক্তিগত চরিত্রহনন বা একতরফা স্তাবকতার জায়গায় পরিণত না হয়। জাতি সংসদকে নিরপেক্ষ অবস্থানে দেখতে চায়। অতীতের গ্লানি মুছে একটি কার্যকর সংসদ উপহার দেওয়া এখন সময়ের দাবি।’

শেয়ার করুন