Beanibazarer Alo

  সিলেট     বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ২০শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৫ গোল ও এক লাল কার্ডের ম্যাচে রিয়ালকে জেতালেন ভালভার্দে

admin

প্রকাশ: ০৫ নভেম্বর ২০২৬ | ১১:৪৫ পূর্বাহ্ণ | আপডেট: ০৫ নভেম্বর ২০২৬ | ১১:৪৫ পূর্বাহ্ণ

ফলো করুন-
৫ গোল ও এক লাল কার্ডের ম্যাচে রিয়ালকে জেতালেন ভালভার্দে

Manual6 Ad Code

স্পোর্টস ডেস্ক :
শেষ মুহূর্তে গোল করে জয়– রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে বহুল পরিচিত এই দৃশ্য। ২-২ সমতায় থাকা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচে গতকাল সেই দৃশ্যের জন্ম দিলেন ফেদে ভালভার্দে। জুড বেলিংহ্যাম ও কিলিয়ান এমবাপের গোলে দুই দফায় সমতায় ফিরলেও লস ব্লাঙ্কোসদের জন্য তা যথেষ্ট ছিল না। শেষ পর্যন্ত এইকে এথেন্সকে ৩-২ ব্যবধানের স্বাদ দিয়ে উয়েফার এই লিগে চার ম্যাচই জিতল রেকর্ড ১৫ বারের শিরোপাধারীরা।

রিয়ালের জন্য গ্রিসের কোনো ক্লাবের মাঠে খেলাটা সুখকর ছিল না। আগের আট ম্যাচে তারা কেবল একটিতে জিতেছিল। এইকে এথেন্সের বিপক্ষেও চার ম্যাচ খেলে কেবল একবার জয় পেয়েছিল স্প্যানিশ জায়ান্টরা। সেই ১৯৮৫ সালে উয়েফা কাপের পর এবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগে এলো আরেকটি জয়। সব বিবেচনায় হয়তো শুরু থেকেই পূর্ণ শক্তির একাদশ সাজিয়েছিলেন হোসে মরিনিয়ো।

দু’বারই আগে গোল হজম করলেও ম্যাচজুড়ে সবমিলিয়ে এগিয়ে ছিল রিয়াল। ৭০ শতাংশ পজেশন আর গোলের লক্ষ্যে থাকা ৮টি শট তাই বলে! এ ছাড়া ঘরের মাঠে হার নিয়ে মাঠ ছাড়ার আগমুহূর্তে লাল কার্ড দেখে এর আগে পঞ্চম মিনিটে ম্যাচে প্রথম উল্লেখযোগ্য সুযোগ পায় স্বাগতিক এইকে এথেন্স। ছয় গজ বক্স থেকে নেওয়া শট পা দিয়ে আটকেছেন রিয়ালের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া। প্রথমবার পরাস্ত হওয়ার পর মিনিট সাতেক পর আবুবাকারি কইটার গোলে এথেন্সের ক্লাবটি লিড নেয়। মার্ক কুকুরেয়াকে কাটিয়ে তিনি জোরালো শট নেন কাছের পোস্ট দিয়ে।

Manual7 Ad Code

খানিক বাদেই আবারও রিয়ালের রক্ষণে হানা, কোর্তোয়া ঝাঁপিয়ে পড়ে সেটি ঠেকান। রিয়াল তখনও নিজেদের ছন্দ খুঁজে ফিরছিল। একটু গুছিয়ে নেওয়ার পর ২৮ মিনিটে বেলিংহাম বল জালে জড়ান ঠিকই, তবে অফসাইডে ছিলেন তিনি। তবে এই ইংলিশ তারকাই দলকে সমতায় ফেরান চার মিনিট পর। কুকুরেয়ার পাস পেয়ে ‘নো লুক’ ফ্লিকে বেলিংহাম এইকে এথেন্স গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন।

Manual7 Ad Code

আগেই চোট কাটিয়ে উঠলেও দীর্ঘদিন পর শুরুর একাদশে ফেরা এডার মিলিতাও দ্বিতীয়ার্ধে দূরপাল্লার শট নেন। তবে এথেন্স গোলরক্ষককে ফাঁকি দিতে পারেননি। এরপর কুকুরেয়ার ফাঁকায় পাওয়া শট এসে রুখে দেন স্বাগতিক ডিফেন্ডার। ৭৫ মিনিটে পাল্টা আক্রমণে আবারও লিড পায় এথেন্স। স্ট্রাভোস পিলিওস প্রথম ছোঁয়ায় শট নিয়ে স্কোরলাইন ২-১ করেন। তাতেই যেন রিয়ালের গোল করার পথ খোলে!

পিছিয়ে পড়ার তিন মিনিট পর ডেনজেল ডাম্প্রিসের পাস পেয়ে ছয় গজ বক্স থেকে গোল করেন এমবাপে। এ নিয়ে এবারের চ্যাম্পিয়ন্স লিগে টানা ছয় ম্যাচেই ফরাসি তারকা গোল পেয়েছেন। তিনি জয়সূচক শেষ গোলটাও করতে পারতেন। তবে তার শট এথেন্স গোলরক্ষকের আঙুল ছুঁয়ে ক্রসবারে লাগে। পরে যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে ৩০ গজ দূর থেকে বুলেট গতির দৃষ্টিনন্দন শটে রিয়ালের জয় নিশ্চিত করে ভালভার্দে।

Manual6 Ad Code

এ নিয়ে চলতি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের চার ম্যাচেই জিতল মরিনিয়োর শিষ্যরা। ১২ পয়েন্ট নিয়ে তারা এখন টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। সমান পয়েন্ট নিয়ে পেলেও গোল ব্যবধানে এগিয়ে থাকা ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন পিএসজির অবস্থান শীর্ষে।

Manual3 Ad Code

শেয়ার করুন