Beanibazarer Alo

  সিলেট     মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ৩রা ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তারেক রহমানের আগমনে রাজনৈতিক শূন্যতা পূরণ হবে: প্রেস সচিব

admin

প্রকাশ: ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ | ০২:৫০ অপরাহ্ণ | আপডেট: ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ | ০২:৫০ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
তারেক রহমানের আগমনে রাজনৈতিক শূন্যতা পূরণ হবে: প্রেস সচিব

Manual4 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার:
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আগমনে বাংলাদেশের রাজনৈতিক শূন্যতা পূরণ হবে বলে মনে করেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন, বাংলাদেশে সত্যিকার অর্থে কিছু রাজনৈতিক শূন্যতা আছে। তারেক রহমানের আগমনে তা পূরণ হবে।

বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বড়দিন উপলক্ষে খ্রিষ্টধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছাবিনিময় করতে রাজধানীর তেজগাঁওয়ের পবিত্র জপমালা রাণী গির্জায় গিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

Manual3 Ad Code

দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে আজ বাংলাদেশে ফিরেছেন তারেক রহমান। তাদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইটটি যুক্তরাজ্যের লন্ডন থেকে সিলেটে আসে সকাল ৯টা ৫৬ মিনিটে। সিলেটে যাত্রাবিরতি শেষে ফ্লাইটটি বেলা ১১টা ৩৯ মিনিটে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

Manual5 Ad Code

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে স্বাগত জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব বলেন, তারেক রহমান বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় দলের নেতা। তাঁর দেশে আসার প্রভাব হবে খুবই ইতিবাচক।

সামনে বড় নির্বাচন-এ কথা উল্লেখ করে শফিকুল আলম বলেন, দেশ একটা ‘ডেমোক্রেটিক ট্রানজিশনে’ (গণতান্ত্রিক উত্তরণে) আছে। তারেক রহমানের দেশে আসার পর এই ট্রানজিশন আরও স্মুথ হবে।

তারেক রহমানের নিরাপত্তাসংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে শফিকুল আলম বলেন, তার নিরাপত্তা বিএনপি দেখছে। বিএনপি যে ধরনের সহযোগিতা সরকারের কাছে চাচ্ছে, সব সহযোগিতাই করা হচ্ছে।

Manual4 Ad Code

খোদা বকশ প্রসঙ্গ
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) খোদা বকশ চৌধুরী কেন পদত্যাগ করলেন-এ প্রশ্নের জবাবে প্রেস সচিব বলেন, এটা গতকাল রাত ১২টার দিকের ঘটনা। তিনি এখনো কারণ জানতে পারেননি।

বড়দিনের শুভেচ্ছাবিনিময়
তেজগাঁওয়ের পবিত্র জপমালা রাণী গির্জায় এসে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের সঙ্গে বড়দিনের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন শফিকুল আলম। তিনি বলেন, বাংলাদেশ একটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। তারা চান, সব সম্প্রদায়ের সবাই যেন নিজ নিজ ধর্ম, আচার, অনুষ্ঠান নির্ভয়ে-আনন্দে পালন করতে পারেন। এটা সত্যিকার গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় লক্ষ্য।

Manual5 Ad Code

শেয়ার করুন