Beanibazarer Alo

  সিলেট     সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিএনপির মালিককে যে কারণে জেলা প্রশাসকের হুশিয়ারি

admin

প্রকাশ: ০৫ জানুয়ারি ২০২৬ | ১২:০০ অপরাহ্ণ | আপডেট: ০৫ জানুয়ারি ২০২৬ | ১২:০০ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
বিএনপির মালিককে যে কারণে জেলা প্রশাসকের হুশিয়ারি

Manual4 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার:
সিলেট-৩ (দক্ষিণ সুরমা-ফেঞ্চুগঞ্জ-বালাগঞ্জ) আসনে বিএনপি প্রার্থী দলের চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মোহাম্মদ আব্দুল মালিকের মনোনয়ন স্থগিত হওয়ায় অনেকটাই টেনশনে পড়ে যায় দলের হাইকমান্ড। কারণ এই আসনে বিকল্প প্রার্থী হিসেবে আরও কাউকে দেয়া হয়নি। মালিকের মনোনয়ন বাতিল হলে বিপাকে পড়তে হত বিএনপিকে। হারাতে হত এই আসনটি।

তবে সব ধোঁয়াশা কাটিয়ে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের শেষদিন রবিবার (৪ জানুয়ারি) খাড়া পেরিয়ে গেছেন তিনি। মালিক যুক্তরাজ্য বিএনপি’র সাবেক সভাপতি ছিলেন। এরআগে শনিবার (৩ জানুয়ারি) মনোনয়নপত্র বাছাইকালে দ্বৈত নাগরিকত্বের কারণে মনোনয়নপত্র স্থগিত জেলার রিটার্নিং অফিস ও জেলা প্রশাসক সরওয়ার আলম।

Manual4 Ad Code

দ্বৈত নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন এমন প্রমাণ সম্বলিত কাগজপত্র দাখিল করেন বিএনপির প্রার্থী মালিক। পরবর্তীতে মোহাম্মদ আব্দুল মালিকের সেসব কাগজপত্র দাখিল করেন তা যাচাই-বাছাই করে তার মনোনয়নপত্রবৈধ ঘোষণা করলেও এসময় জেলার রিটার্নিং অফিস ও জেলা প্রশাসক সরওয়ার আলম হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘সিলেট-৩ আসনে পেন্ডিং ছিলেন মোহাম্মদ আব্দুল মালিক। তার দল বিএনপি। উনাকে যে ডকুমেন্টের কথা বলা হয়েছিল সেটি তিনি দিয়েছেন। আমরা তার আবেদন গ্রহণ করছি। মনোনয়নপত্র গৃহীত হয়েছে।’

জেলা প্রশাসক জানান, ‘এই প্রভিশনটা হলো যদি কোনো নাগরিকের দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকে, এমনকি তিনি পাস করার পরও যদি তার আবেদন হোম অফিসে সারেন্ডার হয়নি বা এক্সেপেক্টেড হয়নি তাহলে তার মনোনয়নশিপ বাতিল হয়ে যাবে। যেহেতু এ মুহূর্তে হোম অফিস বন্ধ আছে আমরা আপাতত তার কাগজপত্রকে সত্য ধরে নিয়ে নিচ্ছি। ধরে নিয়েই যেহেতু আজকে লাস্ট ডেইট তার মনোনয়নপত্র আমরা গ্রহণ করছি।’

Manual8 Ad Code

সারওয়ার আলম আরও জানান- ‘পরবর্তীতে যদি দেখা যায় আবেদন গৃহীত হয়নি, কিংবা সাবমিশন হয়নি অথবা হোম অফিস ডিনাই করেছে তাহলে উনার মনোনয়নপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে। এমনকি উনি যদি পাস করেন তারপরও বাতিল হতে পারে। এখন আমরা তার আবেদনটি গ্রহণ করেছি।’

মনোনয়নপত্র গ্রহণ হওয়ার পর সাংবাদিকদের কাছে মোহাম্মদ আব্দুল মালিক বলেন, আমি লন্ডনে সিটিজেনশিপ জমা দিয়ে চলে আসছি। হোম অফিস সেটা রিসিভও করেছে। কিন্তু লন্ডনে আপনে জানেন যে ক্রিসমাস, নিউ ইয়ারের সময় ২-৩ সপ্তাহ বন্ধ থাকে। যে কারণে রিপ্লাইটা দেরি হচ্ছে। কিন্তু আমি তো জমা দিয়ে দিয়েছি। রিপ্লাইটা এতো তাড়াহুড়া করার দরকার তারা মনে করছে না। প্রশাসনের কর্মকর্তারা তাদের আইন পালন করেছেন। আমি আমার প্রমাণ দেখিয়েছি। অবশেষে বৈধতা ফিরে পেয়েছি।

Manual4 Ad Code

হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, সিলেট-৩ আসনে বিএনপি প্রার্থী আব্দুল মালিক (এম এ মালিক) ছিলেন যুক্তরাজ্যপ্রবাসী। নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার লক্ষ্যে সম্প্রতি তিনি ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন। হাতে নগদ ও ব্যাংকে জমা অর্থের (বৈদেশিক মুদ্রাসহ) পরিমাণ ১ কোটি ৯৯ লাখ ৪৬ হাজার ৯১২ টাকা। আর স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি রয়েছে ২ কোটি ৮০ লাখ টাকার।

Manual3 Ad Code

শেয়ার করুন