Beanibazarer Alo

  সিলেট     শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ৩০শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতীয় পার্টির প্রাথমিক বিজয় হয়েছে: জাপা মহাসচিব

admin

প্রকাশ: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ০৭:১২ অপরাহ্ণ | আপডেট: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ০৭:১২ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
জাতীয় পার্টির প্রাথমিক বিজয় হয়েছে: জাপা মহাসচিব

Manual4 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার:

জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেছেন, প্রাথমিক বিজয় হয়েছে। আমরা শেষ পর্যন্ত ভোট করতে পেরেছি এবং ব্যালটে লাঙ্গল প্রতীক ছিল।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শোচনীয় পরাজয়ের পরদিন  শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দেশের একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় এমন মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী।

তিনি দেশের একটি গণমাধ্যকে বলেন, জাতীয় পার্টিকে ভোটের বাইরে রাখার অনেক চেষ্টা হয়েছে। জাতীয় পার্টিকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখার জন্য মিছিল-মিটিং হয়েছে। জাতীয় পার্টিবিহীন রাজনীতির ছক কষা হয়েছে। পার্সেন্ট ভোটে যেনো জাতীয় পার্টি ভালো করতে না পারে সে জন্যও কৌশল করা হয়েছে। আমরা মনে করি শিগগিরই সঠিক রাজনীতি ফিরবে বাংলাদেশ, জাতীয় পার্টি মাথা উচু করেই রাজনীতিতে থাকবে।

Manual5 Ad Code

জাপা মহাসচিব বলেন, আমাদের অনেক প্রার্থী ছিলেন, যারা দফায় দফায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে এসেছেন। ব্যাপক জনপ্রিয় এসব প্রার্থীদের কৌশলে করে তৃতীয় অবস্থানে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। জাতীয় পার্টিকে হারানোর জন্য মাস্টারপ্ল্যান করা হয়েছে।

এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, প্রথমত নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড ছিল না, প্রচারণায় অনেক পরে নেমেছি, কারণ আমাদের ৫০ জনের মতো প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করা হয়। ওই প্রার্থীদের আপীলের জন্য দৌঁড়াতে সময় অপচয় হয়েছে। এছাড়া বিগত দেড় বছর ধরে জেলা পর্যায়ে কোন কর্মসূচি করতে দেওয়া হয়নি। আমাদের পার্টি অফিসে দফায় দফায় হামলা করা হয়েছে। জাতীয় পার্টির নেতাদের টকশোতে ডাকলে সেই মিডিয়াকে হুমকি দেওয়া হতো। এসব করে জাতীয় পার্টিকে হারানো হয়েছে।

Manual6 Ad Code

জিএম কাদেরের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি ২৪৫ আসনে প্রার্থী দেয়। কয়েকজন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল থেকে বিরত থাকে, আর বেশ কিছু প্রার্থীর প্রার্থিতা অবৈধ ঘোষণা করা হয়। আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার পর বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাড়ায় ১৯৬ জনে। কিন্তু একটি আসনেও জিততে পারেনি দলটির প্রার্থীরা। অনেক জায়গায় এতো কম ভোট পেয়েছে যা পার্টির ইমেজের জন্য মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন দলটির কর্মীরা। জাতীয় পার্টি গঠনের পর আর কখনও এমন লজ্জাজনক পরাজয় বরণ করতে হয়নি দলটিকে।

অনেকেই মনে করেন, একাধিক দফায় ভাঙন জাতীয় পার্টি ফল বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ হতে পারে। বিগত দুই বছরে নতুন করে ৩ টুকরো হয়েছে পার্টি। সর্বশেষ নির্বাচনের পূর্বে যে ভাঙন হয়েছে, সেটি জিএম কাদের অংশকে পুরো নেতৃত্ব শূন্য করে ফেলেছে। অভিজ্ঞ এবং দেশব্যাপী পরিচিত মুখগুলো এক যোগে জিএম কাদেরকে ফেলে চলে গিয়েছে। জিএম কাদেরের পাশে বসার মতো দু’তিন জন নেতা ছাড়া কেউ নেই। শূন্যস্থান পূরণ করতে এমন সব নেতাদের প্রেসিডিয়াম সদস্য করা হয়েছে যারা নিজেরাই এই পদের যোগ্য নন বলে স্বীকার করেন।

নির্বাচন প্রশ্নে উভয় সংকটে ছিল জাতীয় পার্টি! নির্বাচলে অংশ না নিলে দলীয় প্রতীক এবং নিবন্ধন নিয়ে শঙ্কায় ছিলো। বিশেষ করে ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার অংশকে নিয়ে তাদের মধ্যে ভয়টা ছিল বেশি। তাই অনেকটা চাপের মধ্যেই নির্বাচনে অংশ নেয় দলটি। যেভাবে নানামুখী চাপে ২০১৪, ২০২৮ এবং ২০২৪ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোটগত থাকতে বাধ্য হয় দলটিকে।

Manual1 Ad Code

নির্বাচনের পূর্বে সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেছিলেন, একটি পক্ষ চাচ্ছে জাতীয় পার্টি যেনো নির্বাচন থেকে সরে যায়, আমরা সরছি না। জনগণের পক্ষের ভয়েজ হিসেবে শেষ পর্যন্ত আমরা মাঠে থাকবো।

Manual2 Ad Code

শেয়ার করুন