Beanibazarer Alo

  সিলেট     বৃহস্পতিবার, ১লা অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ১৬ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিলেটে বিদ্রোহীদের ভরাডুবি, হেরেছেন ৫ জনই

admin

প্রকাশ: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১০:৪৬ অপরাহ্ণ | আপডেট: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১০:৪৬ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
সিলেটে বিদ্রোহীদের ভরাডুবি, হেরেছেন ৫ জনই

Manual5 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট বিভাগের বিএনপি ভূমিধস জয় পেয়েছে। আর ভরাডুবি ঘটেছে স্বতন্ত্র প্রাথী হওয়া দলটির বিদ্রোহীদের।

Manual1 Ad Code

সিলেট বিভাগের ৫টি আসনে আসনে প্রাথৃী হয়েছিলেন বিএনপির বিদ্রোহীরা। বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় দল থেকেও বহিস্কার করা হয় তাদের। তবু পিছু হঠেননি এই প্রার্থীরা। কিন্তু ভোটের লড়াইয়ে হেরে যেতে হলো তাদের। তাই বিএনপির এই উৎসবের দিনেও বিষাদগ্রস্থ থাকতে হচ্ছে তাদের।

এই পাঁচ বিদ্রোহী নির্বাচনে ভালো লড়াই করলেও জিততে পারেননি কেউই। সম্ভাবনা জাগিয়েও হেরে যেতে হয়। আর একজন তো হয়ে ওঠেছে বিএনপি জোটের প্রার্থীর পরাজয়ের কারণ।

সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ-কানাইঘাট) আসনে বিএনপির পক্ষ থেকে আসনটি জমিয়তে উলামায়ে ইসলামকে ছেড়ে দেওয়া হয়। জোটের প্রার্থী হন দলটির নেতা উবায়দুল্লাহ ফারুক।

Manual2 Ad Code

এই সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে এ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হন জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি মামুনুর রশীদ ওরফে চাকসু মামুন। বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় দল থেকে বহিস্কার করা হয় তাকে।

Manual2 Ad Code

বিভাগের ১৯টি আসনের মধ্যে এই একটি মাত্র আসনেই পরাজিত হতে হয় বিএনপি জোটকে। এ আসনে ১১ দলের জোটের শরিক বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের প্রার্থী মুফতি আবুল হাসান বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৩৫৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের উবায়দুল্লাহ ফারুক পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৭৭৪ ভোট। আর বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মামুনর ররশীদ পেয়েছেন ৫৭ হাজার ২৫১ ভোট।

সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর- শান্তিগঞ্জ) আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেন। সম্ভাবনা জাগিয়েও হেরে যেতে হয়েছে তাকে। এ আসনে ৯৭ হাজার ৩১৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ কয়ছর আহমদ। আর বিদ্রোহী আনোয়ার পেয়েছেন ৪২ হাজার ২২৬ ভোট। এখানে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মোহাম্মদ শাহীনুর পাশা চৌধুরী পেয়েছেন ১৪ হাজার ২০৩ ভোট।

সুনামগঞ্জ-৪ (সদর উপজেলা ও বিশম্ভরপুর) আসনে বিদ্রোহী প্রার্থী হন জেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন। প্রচারের সময় আলোচনায় থাকলেও ভোটের মাঠে তেমন সুবিধা করতে পারেননি তিনি।

এ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী নুরুল ইসলাম নুরুল ৯৮ হাজার ৯২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি জামায়াতের সামছউদ্দিন আহমদ পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৭৩৫ ভোট। আর দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন পেয়েছেন ২৬ হাজার ৩০৭ ভোট।

মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) আসনে বিএনপি নেতা ও শ্রীমঙ্গল পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান মো. মহসিন মিয়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন। কিন্তু ভোটের লড়াইয়ে তিনি তৃতীয় হয়েছেন। এ আসনে ১ লাখ ৭০ হাজার ৮৭৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির দলীয় প্রার্থী মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত শেখ নূরে আলম হামিদী রিকশা প্রতীকে পেয়েছেন ৫০ হাজার ২০৪ ভোট। আর মহসিন মিয়া পেয়েছেন ৩৪ হাজার ১৪৭ ভোট।

হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ-বাহুবল) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য শেখ সুজাত মিয়া। তবে ভোটের মাঠে সুবিধা করতে পারনেনি তিনি।

Manual3 Ad Code

এ আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী ড. রেজা কিবরিয়া। তার প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ১১ হাজার ৯৯৯। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের মাওলানা সিরাজুল ইসলাম রিকশা প্রতীকে পেয়েছেন ৫৬ হাজার ১৩২ ভোট। আর শেখ সুজাত পেয়েছেনমাত্র ২৪ হাজার ৬৩৭ ভোট।

শেয়ার করুন