Beanibazarer Alo

  সিলেট     শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ৩১শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রাথমিকভাবে ৯ উপজেলায় চালু হচ্ছে কৃষক কার্ড

admin

প্রকাশ: ০৫ মার্চ ২০২৬ | ১২:৩৩ অপরাহ্ণ | আপডেট: ০৫ মার্চ ২০২৬ | ১২:৩৩ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
প্রাথমিকভাবে ৯ উপজেলায় চালু হচ্ছে কৃষক কার্ড

Manual6 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার:
দেশের কৃষি খাতে আমূল পরিবর্তন আনতে প্রাথমিকভাবে আটটি বিভাগের ৯টি উপজেলায় ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বুধবার (৪ মার্চ) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

Manual2 Ad Code

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন যে, পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে আগামী ১৪ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে এই পরীক্ষামূলক কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। এই কার্ডের মাধ্যমে প্রান্তিক কৃষকদের অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সরকারি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা সরাসরি তাদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হবে।

কর্মসূচিটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রাক-পাইলট পর্যায়ে আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট এলাকার সব শ্রেণির কৃষকের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের কাজ সম্পন্ন করা হবে। সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে দেশের ৮টি বিভাগের ৯টি উপজেলার ৯টি নির্দিষ্ট ব্লকে এই কার্ড বিতরণ করা হবে।

Manual6 Ad Code

সরকার কর্তৃক নির্বাচিত উপজেলাগুলো হলো—টাঙ্গাইল সদর, বগুড়ার শিবগঞ্জ, পঞ্চগড় সদর, জামালপুরের ইসলামপুর, ঝিনাইদহের শৈলকুপা, পিরোজপুরের নেছারাবাদ, মৌলভীবাজারের জুড়ী, কুমিল্লা সদর এবং কক্সবাজারের টেকনাফ। এই উপজেলাগুলোতে সফলভাবে কর্মসূচিটি পরিচালনার পর প্রাপ্ত অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ধাপে ধাপে সারা দেশে এর বিস্তার ঘটানো হবে।

প্রেস সচিব সালেহ শিবলী আরও জানান যে, প্রাক-পাইলট ও পাইলট পর্যায় শেষ করে আগামী চার বছরের মধ্যে দেশের প্রতিটি উপজেলায় এই কৃষক কার্ড কর্মসূচি পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়নের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

Manual2 Ad Code

এই কার্ডধারী কৃষকেরা ন্যায্যমূল্যে বীজ, সারসহ বিভিন্ন কৃষি উপকরণ ব্যবহারের সুযোগ পাবেন এবং সরাসরি তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরকারি আর্থিক অনুদান ও ভর্তুকি পৌঁছে দেওয়া হবে। বিশেষ করে ভূমিহীন ও ক্ষুদ্র কৃষকেরা এর মাধ্যমে বিশেষ অগ্রাধিকার পাবেন, যা গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

সরকারের এই ডিজিটাল উদ্যোগের ফলে কৃষি খাতে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমবে এবং প্রকৃত কৃষকেরা তাদের প্রাপ্য সুবিধা সহজে লাভ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এই কার্ডটি কেবল একটি পরিচয়পত্র নয়, বরং এটি কৃষকদের জন্য একটি আধুনিক সেবার প্রবেশদ্বার হিসেবে কাজ করবে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরগুলোকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পহেলা বৈশাখের এই শুভক্ষণে দেশের অন্নদাতাদের জন্য এটি একটি বড় উপহার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

Manual4 Ad Code

শেয়ার করুন