Beanibazarer Alo

  সিলেট     শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ১১ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘ইতিবাচক সংশয়’ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছে ব্রাজিল

admin

প্রকাশ: ০১ জুন ২০২৬ | ১২:২৭ অপরাহ্ণ | আপডেট: ০১ জুন ২০২৬ | ১২:২৭ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
‘ইতিবাচক সংশয়’ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছে ব্রাজিল

Manual3 Ad Code

স্পোর্টস ডেস্ক :
পানামার বিপক্ষে দুই অর্ধে দুইরকম পারফরম্যান্স করতে দেখা গেছে ব্রাজিলকে। রিও ডি জেনিরোর ঐতিহাসিক মারাকানা স্টেডিয়ামে ৬-২ গোলে জিতলেও এই বিষয়টি সংশয় তৈরি করেছে। দ্বিতীয়ার্ধে যে দলটি খেলেছে, তারা প্রতিপক্ষের ওপর আরও চাপ দিতে পেরেছে।

Manual5 Ad Code

তাদের ছয় গোলের চারটিই হয়েছে এই সময়ে। হাফটাইমে ১০ জন খেলোয়াড়কে বদলি নামান কার্লো আনচেলত্তি। বিরতির পর মিডফিল্ডে একজন বাড়তি খেলোয়াড় রাখা হয়েছিল। এই বদলি খেলোয়াড়রা শুধু যে সুযোগের সদ্ব্যবহারই করেছে তা নয়, কিন্তু কৌশলগত পরিকল্পনাও ভালো কাজ করেছে।

আনচেলত্তি বললেন, ‘দল বা কৌশল পরিবর্তন করার বিষয়টি আমার মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে। ম্যাচের দ্বিতীয় অর্ধে আমাদের পারফরম্যান্স সংশয় আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। তবে এটা আমার জন্য ভালোই হয়েছে, কারণ দলে এমন ইতিবাচক সংশয় বা মধুর সমস্যা থাকাটা জরুরি।’

Manual3 Ad Code

দ্বিতীয়ার্ধে একটি করে গোল করে দাপট দেখান রায়ান, ইগোর থিয়াগো, লুকাস পাকেতা ও দানিলো সান্তোস। এর মধ্যে শেষ দুজন ফ্যাবিনিয়োর সঙ্গে মিডফিল্ডে অবস্থান নেন, সময়ে সময়ে জায়গা বদল করেছেন। খেলায় তাদের মুভমেন্ট, দূরদর্শিতা ছিল চোখে পড়ার মতো।

গোল করার পাশাপাশি পাকেতা একটি গোলও বানিয়ে দেন। থিয়াগোর পেনাল্টি আদায়েও তার ভূমিকা ছিল।

Manual4 Ad Code

ফ্ল্যামেঙ্গোর এই মিডফিল্ডারকে প্রশংসায় ভাসালেন আনচেলত্তি, ‘আমরা দ্বিতীয় অর্ধে রক্ষণভাগের দিক থেকে পাকেতাকে একটু বাইরের দিকে খেলিয়ে শুরু করেছিলাম। তবে আক্রমণভাগের সময় তাকে সেন্ট্রালি (মাঝমাঠে) খেলতে হয়েছিল। তারা পজিশন পরিবর্তন করলেও ভূমিকা একই ছিল। ম্যাচের একটা পর্যায়ে দানিলো যখন বাম পাশে খেলছিল, তখন দল আরও বেশি ভারসাম্যপূর্ণ হয়ে উঠেছিল। মান, বল পজিশন, গোল এবং অ্যাসিস্ট—সব দিক থেকেই পাকেতার পারফরম্যান্স ছিল দুর্দান্ত। এটি অত্যন্ত উচ্চমানের একটি ম্যাচ ছিল।’

দলের প্রথমার্ধের পারফরম্যান্সেও ইতিবাচক দিক খুঁজে পেয়েছেন ইতালিয়ান কোচ। দ্রুতগতির ম্যাচে খেলোয়াড়দের মান যাচাই করতে আরও বেশি আক্রমণের লক্ষ্যে প্রথমার্ধের ফরমেশন সাজানোর কথা বললেন তিনি। এ কারণেই দলের দাপট একটু কম দেখা গেছে। পরে যখন ৪-২-৪ ফরমেশনে খেলা হলো তখনই দল সেরাটা দিলো। ৪-৩-৩ ফরমেশনে দলের উন্নতির প্রক্রিয়া নিয়ে মজা করলেন তিনি।

আনচেলত্তি বললেন, ‘বিশ্বকাপের আগ পর্যন্ত আমি কিছুটা রোমাঞ্চ বা সাসপেন্স ধরে রাখতে চাই, কারণ তা না হলে আমাদের কথা বলার মতো কোনো বিষয়ই থাকবে না। এটি আপনাদের (সাংবাদিকদের) সবার জন্যই বেশ সহায়ক হবে, কারণ নেইমারের বিষয়টি তো এখন শেষ। আমাদের এখন যা করতে হবে তা হলো আলোচনা করার মতো একটা ভালো টপিক বা বিষয় তৈরি করা, যাতে মানুষের আগ্রহ এবং কৌতূহল বজায় থাকে।’

রাতের বাকি সময় ও সোমবার পরিবারের সঙ্গে কাটাতে খেলোয়াড়দের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বারা দা তিজুকায় বিকেল চারটায় তারা একত্রিত হবেন। সেখান থেকে দল যাবে গালিয়াও বিমানবন্দরে। রাতেই যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে রওনা হবে দল। সেখানে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল খেলা মারকিনহোস, গ্যাব্রিয়েল মাগালেস ও গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেলি যোগ দেবেন।

Manual2 Ad Code

শেয়ার করুন