Beanibazarer Alo

  সিলেট     সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ১৫ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বামীকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে গৃহবধূকে ধর্ষণ চেষ্টা

admin

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬ | ১১:২৪ পূর্বাহ্ণ | আপডেট: ২৯ জুন ২০২৬ | ১১:২৪ পূর্বাহ্ণ

ফলো করুন-
স্বামীকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে গৃহবধূকে ধর্ষণ চেষ্টা

Manual1 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার:
জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে স্বামীকে কোমল পানীয়ের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারীর স্বামী বাদী হয়ে রোববার বিকালে ক্ষেতলাল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৫ জুন দিবাগত রাতে উপজেলার বিনাই গ্রামের বাসিন্দা এক গৃহবধূ (২০) সন্তানকে নিয়ে ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। রাত গভীর হলে একই গ্রামের গোফফার মণ্ডলের ছেলে রুবেল হোসেন (২৭) কৌশলে বাড়ির প্রাচীর টপকে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করেন। এরপর তিনি ঘুমন্ত গৃহবধূকে বিছানা থেকে তুলে বাইরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

Manual6 Ad Code

ভুক্তভোগী গৃহবধূর অভিযোগ, এ সময় অভিযুক্ত রুবেল তাকে জানান যে- সন্ধ্যায় দোকানে বসে তার স্বামীকে কোমল পানীয়ের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে দেওয়া হয়েছে, তাই কয়েক ঘণ্টার আগে তার স্বামী জেগে ওঠবে না। এরপর রুবেল তাকে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হওয়ার জন্য চাপ দেন। এতে বাধা দিলে গৃহবধূর মুখ চেপে ধরে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়।

Manual3 Ad Code

একপর্যায়ে ঘরের ভেতর মায়ের সঙ্গে থাকা শিশুটি জেগে ওঠে কান্নাকাটিতে স্বামীর ঘুম ভেঙে যায়। তিনি চিৎকার করে স্ত্রীর কাছে জানতে চান বাড়িতে কে এসেছে? তখন অভিযুক্ত রুবেল হোসেন দ্রুত প্রাচীর টপকে পালিয়ে যান।

পরদিন শুক্রবার বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে গ্রাম্যসালিশের উদ্যোগ নেওয়া হলেও অভিযুক্ত রুবেল সেখানে উপস্থিত হননি।

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য সাইদুল ইসলাম বলেন, গ্রাম্যসালিশের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে অভিযুক্ত ব্যক্তি টানা দুই দিন সালিশে উপস্থিত হননি।

Manual2 Ad Code

ভুক্তভোগী গৃহবধূ বলেন, আমাকে জোরপূর্বক শ্লীলতাহানির চেষ্টা করা হয়েছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।

Manual5 Ad Code

ভুক্তভোগীর স্বামী বলেন, আমাকে কোমল পানীয়ের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে গভীর রাতে ঘরে ঢুকে আমার স্ত্রীর শ্লীলতাহানির চেষ্টা করা হয়েছে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত রুবেল হোসেনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি- ফলে তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

ক্ষেতলাল থানার ওসি মুক্তারুল আলম বলেন, আমি এসপি অফিসে একটি সভায় ছিলাম। জেনেছি ভুক্তভোগীর স্বামী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন