Beanibazarer Alo

  সিলেট     শুক্রবার, ৩১শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ১৬ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অবসরের আগেই চিরঅবসরে সিলেটের এক পুলিশ কর্মকর্তা

admin

প্রকাশ: ৩০ জুলাই ২০২৬ | ১২:৪১ অপরাহ্ণ | আপডেট: ৩০ জুলাই ২০২৬ | ১২:৪১ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
অবসরের আগেই চিরঅবসরে সিলেটের এক পুলিশ কর্মকর্তা

Manual4 Ad Code

নিউজ ডেস্ক:
পুলিশ কর্মকর্তা মনোজ কান্তি দাসের অবসরে যাওয়ার কথা ছিল আগামী ১ আগস্ট। এদিন তিনি চাকরি জীবনের ইতি টেনে বিদায় নেওয়ার কথা ছিল সব সহকর্মীর কাছ থেকে।

Manual7 Ad Code

সহকর্মীদেরও তাকে আনন্দ-আশ্রুজলে বিদায় দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এর আগেই চিরঅবসরে চলে গেলেন পুলিশের এই কর্মকর্তা।

গত মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) মধ্যে রাতে সিলেটের বাগবাড়ীর নরসিংটিলা এলাকার একটি বাসার দ্বিতীয় তলার কক্ষ থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ।

Manual1 Ad Code

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মোহাম্মদ মাঈনুল জাকির জানান, মনোজ কান্তি দাস সুনামগঞ্জ জেলার শাল্লা উপজেলার নারকিলা গ্রামের মৃত মহিম চন্দ্র দাসের ছেলে।

Manual5 Ad Code

দীর্ঘদিন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি) ও জেলা পুলিশে কর্মরত ছিলেন তিনি। আগামী ১ আগস্ট থেকে তার অবসরোত্তর ছুটিতে (পিআরএল) যাওয়ার কথা ছিল।

Manual8 Ad Code

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত বছর সড়ক দুর্ঘটনায় মনোজ কান্তি দাসের স্ত্রী মারা যান। এরপর বর্তমানে মনোজ কান্তি দাস বাগবাড়ী নরসিংটিলা এলাকার বাসায় শ্বশুর-শাশুড়ি ও ছেলেমেয়ের সঙ্গে বসবাস করতেন।

বাসাটির নিচতলায় শ্বশুর-শাশুড়ি ও ছেলেমেয়েরা থাকলেও দ্বিতীয় তলায় একাই থাকতেন মনোজ কান্তি দাস।

সোমবার (২৭ জুলাই) প্রতিদিনের মতো দায়িত্ব পালন শেষে রাতে বাসায় ফেরেন তিনি। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে রাতের খাবার খেয়ে নিজের কক্ষে চলে যান। এরপর মঙ্গলবার সারা দিন তার কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে রাতে স্থানীয়রা কোতোয়ালি থানা পুলিশকে খবর দেয়।

খবর পেয়ে রাত আনুমানিক ১২টার দিকে কোতোয়ালি থানা পুলিশ ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে কক্ষের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে।

পরে ঘরের মেঝেতে মনোজ কান্তি দাসের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশ। সেখান থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

ওসি খান মোহাম্মদ মাঈনুল জাকির বলেন, বাগবাড়ী এলাকার একটি বাসার দ্বিতীয় তলার ঘর থেকে এক এসআইয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘরটি ভেতর থেকে বন্ধ থাকায় ফায়ার সার্ভিস দরজা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করে। উদ্ধারকালে তার নাক ও মুখ দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল।

মরদেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে স্ট্রোকে মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।

শেয়ার করুন