পরবর্তীতে ভিকটিম মাহমুদুল হাসান রিফাত তার আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে ৯০ হাজার টাকা সংগ্রহ করে দেন। তখন ভিকটিমের পরিবারে লোকজনের মনে সন্দেহ জাগলে তারা কোতোয়ালী থানায় অভিযোগ করেন এবং পুলিশ অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার ও ভিকটিমদের উদ্ধার করে।

তাদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালী থানায় মামলা (নং-১৯-১১/৪/২৬) দায়ের করে পর্ণোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে আদালতে সোর্পদ করা হয়েছে বলে জানান সিলেট মহানগর পুলিশের  গণমাধ্যম র্কমর্কমতা মো. মনজুরুল আলম।

Manual4 Ad Code