নিজস্ব প্রতিবেদক :
সিলেট মহানগরীর দক্ষিণ সুরমায় মিনি স্টেডিয়ামের পরিবর্তে একটি পূর্ণাঙ্গ স্টেডিয়াম নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য সম্ভাব্য তিনটি স্থান পরিদর্শন করেছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। স্থানগুলো যাচাই-বাছাই করে স্থানীয় জনগণ ও খেলোয়াড়দের জন্য সবচেয়ে সুবিধাজনক জায়গা নির্বাচন করা হবে। এরপর দ্রুত প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
শনিবার (২৯ আগস্ট) দক্ষিণ সুরমায় স্টেডিয়াম নির্মাণের সম্ভাব্য স্থানগুলো পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন বাংলাদেশ সরকারের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের প্রতিটি উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় দক্ষিণ সুরমায় মিনি স্টেডিয়ামের পরিবর্তে একটি পূর্ণাঙ্গ স্টেডিয়াম নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ জন্য ইতোমধ্যে তিনটি সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করা হয়েছে। এর মধ্যে স্থানীয় সাধারণ মানুষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী স্থানটি বাছাই করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘এমন জায়গা নির্বাচন করা হবে, যেখানে দর্শকরা সহজে যাতায়াত করে গ্যালারিতে বসে খেলা উপভোগ করতে পারবেন। পাশাপাশি খেলোয়াড়দের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হবে।’
মো. আমিনুল হক বলেন, ‘বর্তমান সরকার দেশের প্রতিটি উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। ইতোমধ্যে ২০১টি উপজেলায় এ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি প্রকল্পের কাজ শেষ হয়েছে, কিছু প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। আবার কিছু প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য ভূমি অধিগ্রহণের অপেক্ষায় রয়েছে। অধিগ্রহণ কার্যক্রম শেষ হলে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পগুলোর কাজ শুরু করা হবে।’
দক্ষিণ সুরমার প্রস্তাবিত স্টেডিয়াম প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এখানে শুধু একটি মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ স্টেডিয়াম করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ ধরনের স্টেডিয়াম নির্মাণে প্রায় পাঁচ থেকে ছয় একর জায়গার প্রয়োজন হবে। একই সঙ্গে সরকারের ব্যয় কমানোর বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করছি, যেখানে সরকারি খাস জমি পাওয়া যাবে, সেখানে স্টেডিয়াম নির্মাণের উদ্যোগ নিতে। এতে সরকারের অতিরিক্ত ব্যয় কমানো সম্ভব হবে।’
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, ‘সম্ভাব্য স্থানগুলো যাচাই-বাছাই শেষে স্থানীয় জনগণের জন্য সবচেয়ে সুবিধাজনক জায়গাটি চূড়ান্ত করা হবে। এরপর দ্রুত ডিপিপি প্রণয়ন করে প্রকল্প বাস্তবায়নের পরবর্তী কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে।’
স্থান পরিদর্শনকালে সংসদ সদস্য এম এ মালিক, সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী, জালালাবাদ গ্যাসের পরিচালক বদরুদ্দোজা সেলিম, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের সমন্বয়ক মো. কামাল উদ্দিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মাসুদ রানা এবং দক্ষিণ সুরমা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ এমদাদুল হক শরীফসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।