Beanibazarer Alo

  সিলেট     রবিবার, ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ৫ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আর্জেন্টিনার বি রু দ্ধে প্রচারণায় কারা টাকা ঢালছে জানালেন দেশটির প্রেসিডেন্ট

admin

প্রকাশ: ২৯ জুলাই ২০২৬ | ০৬:০৩ অপরাহ্ণ | আপডেট: ২৯ জুলাই ২০২৬ | ০৬:০৩ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
আর্জেন্টিনার বি রু দ্ধে প্রচারণায় কারা টাকা ঢালছে জানালেন দেশটির প্রেসিডেন্ট

Manual5 Ad Code

স্পোর্টস ডেস্ক:
বিশ্বকাপের রেশ কাটলেও আর্জেন্টিনাকে ঘিরে বিতর্ক যেন থামছেই না। মাঠের পারফরম্যান্স, ফাইনালের উত্তেজনা আর রাজনৈতিক অবস্থান; সব মিলিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছে লিওনেল মেসিদের দেশ। তবে সেই সমালোচনাকে স্বাভাবিকভাবে দেখছেন না আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই। গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন।

Manual4 Ad Code

বিশ্বকাপ-পরবর্তী সমালোচনার জবাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আসছেন মিলেই। ইনস্টাগ্রামে একাধিক পোস্টে তিনি দাবি করেন, আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে যে সমালোচনা চলছে, তার পেছনে মূল কারণ ‘হিংসা’। তার অভিযোগ, ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভার নেতৃত্বাধীন সরকারই এই প্রচারণার সবচেয়ে বড় অর্থদাতা।

Manual5 Ad Code

এক সাক্ষাৎকারে মিলেই বলেন, ‘আর্জেন্টিনাবিরোধী এই প্রচারণায় সবচেয়ে বেশি অর্থ কে দিয়েছে? ব্রাজিল সরকার। মোট অর্থায়নের ২৫ শতাংশই এসেছে ব্রাজিল সরকারের কাছ থেকে। এরপর তারাই আবার আমাকে হস্তক্ষেপ নিয়ে শিক্ষা দেয়।’

Manual7 Ad Code

তবে নিজের এই দাবির পক্ষে কোনো তথ্য বা প্রমাণ উপস্থাপন করেননি আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট। মিলেই আরও অভিযোগ করেন, শুধু ব্রাজিলই নয়, মেক্সিকো এবং যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্র্যাটিক পার্টিও এই প্রচারণায় অর্থায়ন করেছে। তার ভাষ্য, ‘মেক্সিকো এবং যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্র্যাটিক পার্টিও এতে অর্থ দিয়েছে। তারা সেই প্রগতিশীল শক্তি, যারা স্বাধীনতার ধারণার সফলতা দেখতে চায় না।’

বিশ্বকাপের পর আর্জেন্টিনাকে ঘিরে নানা বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ২০২৬ বিশ্বকাপে দলটি বাড়তি সুবিধা পেয়েছে; এমন অভিযোগ যেমন উঠেছে, তেমনি ফাইনালে স্পেনের কাছে হারের পর আর্জেন্টাইন ফুটবলারদের আচরণ নিয়েও সমালোচনা হয়েছে। প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়দের সঙ্গে উত্তেজনা ও হাতাহাতির ঘটনাও আলোচনায় এসেছে।

এদিকে ইসরায়েলের প্রতি মিলেইয়ের প্রকাশ্য সমর্থন এবং দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নিয়েও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সমালোচনা হচ্ছে। তবে এসব সমালোচনাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেই মনে করেন আর্জেন্টাইন প্রেসিডেন্ট।

সমালোচনার জবাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে মিলেই লেখেন, ‘তোমার যদি শত্রু থাকে, তার মানে তুমি কোনো না কোনো সময় কোনো কিছুর পক্ষে দাঁড়িয়েছ। আমরা আর্জেন্টিনার পক্ষে দাঁড়াই।’

আরেকটি পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আর্জেন্টিনার সমস্যা হলো আমরা আলাদা করে নজর কাড়ি। আমরা কখনোই চোখ এড়িয়ে যাই না। মানুষ আমাদের হিংসা করে, কারণ আমরা প্রায় সবকিছুতেই ভালো।’

এর আগে বিশ্বকাপ চলাকালে আর্জেন্টিনার কিছু সমর্থকের বর্ণবাদী আচরণ নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা হয়। ফাইনালের আগে হলিউড অভিনেতা স্যামুয়েল এল. জ্যাকসন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আর্জেন্টিনাকে ‘বিশ্বের অন্যতম বর্ণবাদী দেশ’ উল্লেখ করে দেশটির পক্ষে সমর্থন না দেওয়ার আহ্বান জানান। পরে মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের আর্জেন্টিনা শাখা বর্ণবাদের অস্তিত্ব স্বীকার করলেও পুরো দেশকে এককভাবে বর্ণবাদী হিসেবে চিহ্নিত করার সমালোচনা করে।

Manual5 Ad Code

শেয়ার করুন