Beanibazarer Alo

  সিলেট     শুক্রবার, ২রা অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ১৭ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিএনপির নির্বাচনি জনসভায় শাবির ভিসি-প্রোভিসি, চলছে সমালোচনা

admin

প্রকাশ: ২২ জানুয়ারি ২০২৬ | ১১:৪৩ অপরাহ্ণ | আপডেট: ২২ জানুয়ারি ২০২৬ | ১১:৪৩ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
বিএনপির নির্বাচনি জনসভায় শাবির ভিসি-প্রোভিসি, চলছে সমালোচনা

Manual3 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার:

সিলেটে বিএনপির নির্বাচনি জনসভায় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের উপস্থিতি ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষ প্রশাসনিক পদে থেকে সরাসরি একটি রাজনৈতিক দলের কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ায় প্রশ্ন তুলছেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের একাংশ।বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সিলেট নগরীর সরকারি আলিয়া মাদ্রাসার মাঠে আয়োজিত  বিএনপির এক নির্বাচনি জনসভায় শাবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এম সরওয়ারউদ্দীন চৌধুরী, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাজেদুল করিম এবং রেজিস্ট্রার সৈয়দ ছলিম মোহামদ আব্দুল কাদিরকে মঞ্চে উপস্থিত থাকতে দেখা যায়।এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় আইন-১৯৮৭-এ স্পষ্ট উলে¬খ রয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষক বা কর্মকর্তা তার রাজনৈতিক মতামত প্রচার করতে পারবেন না এবং নিজেকে কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে জড়িত করতে পারবেন না। তবে আইনের তোয়াক্কা না করেই বাঁশের ব্যারিকেড ডিঙিয়ে মঞ্চে বসতে দেখা যায় তাদেরকে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ সংক্রান্ত ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা করছেন বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীরা।

Manual3 Ad Code

এ আর আনিস নামে একজন শিক্ষার্থী ফেসবুকে লিখেছেন, ‘নিজের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ভোটাধিকার হরণ করে বিশ্ববিদ্যালয় খোলা অবস্থায় রাজনৈতিক দলের প্রচারণায় যাওয়া কতটা যৌক্তিক?’
এস. এইচ. প্রান্ত নামের একজন লেখেন, ‘সাস্টের প্রতিটা স্টুডেন্টের ফ্যামিলি কার্ড নিশ্চিত করতে ভিসি, প্রোভিসি স্যারের দৌড়ঝাঁপকে ইতিবাচক হিসেবে দেখাই ভালো।’

Manual4 Ad Code

সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ফয়সাল হোসেন বলেন, ‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, প্রোভিসিসহ যারা তারেক রহমানের নির্বাচনী জনসভায় গেছেন এ ধরনের কাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনবিরোধী। আমি মনে করি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনবিরোধী কাজে সরাসরি জড়িত থাকার কারণে তারা নৈতিকভাবে পরাজিত হয়েছে। আমরা শিক্ষার্থীরা এই কর্মকান্ডের কারণে বাকরুদ্ধ।’
তিনি আরও বলেন, ‘যেখানে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো অন্যায় হলে বিচার চাওয়ার কথা সেখানে তারা নিজেরাই আইনবিরোধী কার্যক্রম করছেন শুধুমাত্র নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য। সেটা অত্যন্ত দুঃখজনক।’

Manual2 Ad Code

এ বিষয়ে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাজেদুল করিম বলেন, ‘এর আগেও আমাকে বহুল প্রতিক‚ল পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে। আর বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনও আমি পড়েছি। আমরা সেখানে নির্বাচনি প্রচারণায় যাইনি। আমরা গিয়েছি শ্রুতা হিসেবে।’
এ বিষয়ে জানতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরীকে মুটোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কল ধরেননি।

শেয়ার করুন