Beanibazarer Alo

  সিলেট     রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ  | ২৫শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জনাব “তারেক রহমান (প্রধানমন্ত্রী) ও অন্যান্য সহকর্মীদের নিকট খোলা চিটি”

admin

প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১১:০৬ অপরাহ্ণ | আপডেট: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১১:০৬ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
জনাব “তারেক রহমান (প্রধানমন্ত্রী) ও অন্যান্য সহকর্মীদের নিকট খোলা চিটি”

Manual7 Ad Code

এডভোকেট মোঃ আমান উদ্দিন:

ভূমিকা: জাতি, ধর্ম, বর্ণ, গোত্র নির্বিশেষে সকলেই সম্প্রিতির বন্ধনে আবদ্ধ। পশ্চিমাবিশ্বে সভ্যতার দাবীদার দেশ সমূহে এক মিনিট বিদ্যুৎ চল গেলে অনেক অপকর্ম সংগঠিত হয় কিন্তু বাংলাদেশে ৫ই আগষ্ট ২০২৬ থেকে ৮ই আগষ্ট ২০২৬ কোন সরকারেই ছিল না। এরপর ও আইনশৃংখলার মারাত্মক কোন অবনতি হয়নি। তাহার একটি মাত্র কারন হচ্ছে আমরা খোদাভীরু। আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। সুতরাং বিশ্বের মানচিত্রে বাংলাদেশের উন্নয়নের রোল মডেল হিসাবে গড়ে তোলার জন্য সরকারের নিকট কিছু প্রস্তাবনা তুলে ধরছিঃ

Manual1 Ad Code

১ম প্রস্তাব: শিক্ষা খাতকে ঢেলে সাজাতে হবে। শিক্ষার্থীদেরকে বুঝাতে হবে শুধু সরকারী চাকুরীর জন্য সনদ অর্জন নহে। প্রতিটি ছাত্রকে সৃষ্টিশীল চিন্তাশক্তি দ্বারা সমাজ উন্নয়নে উদ্যোমী হতে হবে। বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করে শিক্ষার্থীদের গড়ে তুলতে হবে। যুগোপযোগী শিক্ষার সনদ অর্জন করে প্রতিটি ছাত্র যেন কর্মক্ষেত্র তৈরী করে, অনেক অদক্ষ বেকার শিক্ষার্থীদের নিয়োগ প্রদানে উৎসাহিত করা। ছাত্র ছাত্রীদের উপযুক্ত শিক্ষার্থী হিসাবে গড়তে হলে উচ্চ বেতনে প্রয়োজনে বিদেশ থেকে শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা করতে হবে।
যেমন:- কারিগরি, ব্যবসা, কৃষিবিদ, বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ফলজ ও বনজ আমদানি নির্ভর খাত সমূহকে চিহ্নিত করে বাংলাদেশের মাটিকে পরীক্ষা নিরিক্ষা করে আবাদী জমি চাষাবাদ যোগ্য করে গড়ে তোলা এবং উপযুক্ত মূল্যে সরকারীভাবে তা সংগ্রহ করে সূলভ মূল্যে জনগনের নিকট পৌঁছে দেওয়া।

Manual7 Ad Code

২য় প্রস্তাব: বাংলাদেশের ৪ ভাগের একভাগ খাল, বিল, নদী, নালা ও উপযুক্ত জলাশয় বিদ্যামান ছিল। বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ। অতি উৎসাহী আমলাদের আমদানী নির্ভরতার মানষিকতা পরিবর্তন করতে হবে। খাদ্য স্বয়ং সম্পূর্নতা অর্জনে সরকারের যদি আন্তরিকতা তাকে তাহলে কোন খাদ্য দ্রব্যই বিদেশ থেকে চড়া মূল্যে আমদানীর প্রয়োজন নেই। সাধারন জনগণের খাদ্য তালিকায় যা দরকার তাহার সবকিছুই উৎপানের জন্য বাংলাদেশের মাটি অত্যন্ত উপযোগী। সরকার প্রয়োজনীয় সহযোগীতা প্রদানে লজিষ্টিক সাপোর্ট প্রদানের জন্য কৃষি বিশেষজ্ঞদের অফিসের চার দেয়ালে না বসিয়ে সময় মত উচ্চ ফলনশীন চাষাবাদের জন্য মাটে তদারকি করতে হবে এবং সরকারকে কৃষি কালীন সময়ে প্রতিদিনের আপগ্রেড জানানো। অফিসারদের কখন অফিসে বসে কাগজের মিথ্যা ফিরিস্তি দিয়ে অবৈধ বিল, বাউচার এর প্রয়োজনীয়তা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। অধিকাংশ সময় কর্মকর্তাদের কৃষকদের নিয়ে মাটে বসে মটিভেশন মিটিং কর্মসূচীতে থাকতে হবে। অফিসে বসে কৃষকদের নিয়ে কাজ করার সুযোগ নাই। অভিজ্ঞ কর্মকর্তাগন জনগনের চাহিদার আলোকে ধান, গম, শাক সবজি, ফল ফসল, সুস্বাদু মিষ্টি লাউ, ভোজ্য তেল, বাদাম, সরিষা, পিয়াজ, রসুন, আলু, কাঁচা মরিচ ইত্যাদি উৎপাদন ও সরকারকে কৃষকদের নিকট থেকে ন্যায্য মূল্যে ক্রয় করে সাধারন জনগনের নিকট বিক্রির ব্যবস্থা করতে হবে। সাধারন জনগণ উৎপাদিত জিনিসের উপযুক্ত মূল্যে বিক্রি করে তাহলে কৃষিকাজের বৈপ্লবিক পরিবর্তন হবে। এক্ষেত্রে সরকারকে সিন্ডিকেট ভেংগে কৃষকদের প্রাপ্য হিস্যা বুঝিয়ে দিলে কৃষক সমাজ কৃষি কাজে এগিয়ে আসতে বাধ্য হবেন। প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত অফিসারদের দ্বারা প্রতিটি ইউনিয়নে মাসিক কৃষি সমাবেশ করতে হবে। ডিজিটাল ছবি ও উপস্তিতি স্বাক্ষর এর সচিত্র প্রতিবেদন উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে দিতে হবে। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সঠিকতা যাচাইয়ের জন্য প্রকৃত কৃষকদের নিকট থেকে মতামত গ্রহন করতে হবে। কৃষি ব্যবস্থার বৈপ্লবিক উন্নয়নের জন্য বিনামূল্যে সার, কীটনাশক, ঔষধ, বীজ ও সহজ শর্তে কৃষি অফিসারদের মাধ্যমে ব্যাংক অর্থ ঋন ইত্যাদি প্রদানের ব্যবস্থা থাকতে হবে।

Manual5 Ad Code

শেয়ার করুন